Breaking News
Home / VIRAL / কাপড় কাচেননি, বাসন মাজেননি স্রেফ ৩ দিন! মহিলারা কাজ না করলে সংসারের কী দশা হয়, দেখিয়ে দিলেন গৃহবধূ!

কাপড় কাচেননি, বাসন মাজেননি স্রেফ ৩ দিন! মহিলারা কাজ না করলে সংসারের কী দশা হয়, দেখিয়ে দিলেন গৃহবধূ!

মিস পটকিনসের আদতে বাড়ি কোথায়, তা জানার উপায় নেই! আমাদের কাছে তাঁর প্রাথমিক পরিচয় এক গৃহবধূ এবং ট্যুইটারেতি হিসেবে। তা, দেখা যাচ্ছে যে গৃহবধূদের অবস্থাটা বিশ্বের সব প্রান্তেই একই রকম! তাঁরা উদয়াস্ত হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে চলেন সংসারের স্বার্থে। সে কাজে সাহায্য করা তো দূর, কেউ প্রশংসাটুকুও করে না। কিন্তু এই গৃহবধূরাই যদি কাজ করা বন্ধ করে দেন, তবে বাড়ির কী সাঙ্ঘাতিক দশা হতে পারে সেই ছবি একরকম লাইভ ট্যুইট থ্রেডে বিশ্বদরবারে উপস্থিত করলেন পটকিনস!

দিন দুয়েক হল আমি বাসন মাজা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বাড়ির রাতের খাবারটা আমাকেই তৈরি করতে হয়। তার উপরে বাসন মাজাটাও আমার ঘাড়েই এসে পড়ে। আর এই পরিশ্রম পোষাচ্ছে না। তাই থামিয়ে দিয়েছি। দেখছি যে তার পরে রান্নাঘরে এঁটো বাসনের স্তূপ বাড়ছে। এরকম চলতে থাকলে একটা পর্যায়ে এসে বাড়িতে চামচ, কাপ, খাবার থালারও অভাব হবে। তবে আমি এ সবে তাকাচ্ছি না, ঘটনার প্রথম আপডেটটি নিজের Twitter হ্যান্ডেল থেকে এভাবেই দিয়েছেন পটকিনস। কিন্তু এভাবে বাসন পড়ে আছে দেখে বাড়ির লোকেরা কেউ ভ্রূক্ষেপও করছেন না?

তাঁরা যে যতটা সম্ভব নির্বিকার থাকার চেষ্টা করছেন, সেটা পরের ট্যুইটে জানিয়েছেন পটকিনস। এটি তৃতীয় দিনের ঘটনা। তাঁর কথায়- বাড়ির শেষ বড় বাসনটাও ব্যবহার করা হয়ে গিয়েছে, আর একটা চামচও ব্যবহারের জন্য পড়ে নেই। ওরা কিছু বলছে না বটে, তবে আমি শুনতে পাচ্ছি যে ওদের মাথার মধ্যে একটা কাঁটা টিক-টিক করছে। করুক গে, আমি কাজে হাত দিচ্ছি না!

এর পরের ধাপেই সোশ্যাল মিডিয়া ইউজারদের বড়সড় চমক দিয়েছেন পটকিনস, জানিয়েছেন যে তিনি কাপড় কাচাও বন্ধ করে দিয়েছেন। ছবিতে যে কাপড়ের স্তূপ আমরা দেখতে পাচ্ছি, তেমনটা যে বাড়ির নানা জায়গায় জমা হয়ে আছে, সে কথা লিখতে ভোলেননি তিনি। তবে অবস্থাটা এমন বেশি দিন চলেনি। পটকিনস জানিয়েছেন যে বেগতিক দেখে তাঁর স্বামী নিজেই বাসন মাজার কাজে হাত দেন। বাসনগুলোয় সাবান মাখিয়ে তিনি ভরে দেন ডিশ ওয়াশারের ভিতরে। কিন্তু সেটার স্যুইচ তিনি অন করেননি আর পটকিনসও মনে করিয়ে দেননি। পাক্কা এক দিন পরে না কি সেই ভদ্রলোক ডিশওয়াশারের স্যুইচ অন করেছিলেন, ধীরে ধীরে বাড়ির নোংরা কাপড়গুলোও ফেলেছিলেন ওয়াশিং মেশিনে।

সবার শেষে পটকিনস একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা উল্লেখ করতে ভোলেননি- গৃহবধূরা বাধ্য হয়ে নয়, বাড়ির কাজ করেন ভালোবেসে! যত তাড়াতাড়ি সেই ভালোবাসার মর্যাদা দেওয়া যায়, তত মঙ্গল!

Check Also

এ’কেই বলে বন্ধুত্ব, অক্সিজেন সিলিন্ডা’র নিয়ে ১৪০০ কিমি পাড়ি

জীবন চলার পথে প্রত্যেকের জীবনে বন্ধু নামের বিশ্বাসী ও মজবুত একটি সম্পর্কের সৃষ্টি হয়ে যায়। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *