Breaking News
Home / HEALTH / রোজ খাবার পাতে একটুখানি ঘি! শরীরের এই ৫ কঠিন সমস্যার প্রতিকার মিলবে ম্যাজিকের মতো…

রোজ খাবার পাতে একটুখানি ঘি! শরীরের এই ৫ কঠিন সমস্যার প্রতিকার মিলবে ম্যাজিকের মতো…

গরম ভাতে একটু খানি ঘিয়ের যে কী মহিমা, সেটা ঘি-প্রেমী মাত্রেই বুঝবেন। পরোটা বা রুটিতে মাখিয়ে খান বা তরকারিতে, ঘি শুধু স্বাদ আর গন্ধ বাড়িয়ে দেয় না, এর উপকারিতা আরও অনেক বেশি। তাই তো যুগ যুগ ধরে ভারতে ঘি খাওয়ার প্রচলন চলে আসছে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও ঘিয়ের উপকারিতার কথা বিস্তারে বলা আছে

ধীরে ধীরে বিদেশের মানুষও ঘিয়ের গুরুত্ব বুঝেছে। ঘিয়ের এত উপকারিতার জন্য একে তরল সোনাও বলা হয়। প্রতি দিনের খাবারে অল্প একটু ঘি থাকলে সমৃদ্ধিতে ঝলমল করবে স্বাস্থ্য।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে: যেহেতু ঘি প্রয়োজনীয় ফ্যাট-দ্রবণীয় ভিটামিন D, K, E এবং A দ্বারা সমৃদ্ধ, তাই এই উপাদানগুলি প্রতিরোধ-ক্ষমতা সহ আমাদের দেহের নানাবিধ কার্য সম্পাদন করে। ঘি শরীরকে অন্যান্য খাবার থেকে চর্বিযুক্ত দ্রবণীয় খনিজ এবং ভিটামিন শোষণে সহায়তা করে এবং আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। দেশি ঘি অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট গুণসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি ভাইরাস, ফ্লু, কাশি, সর্দি প্রভৃতির বিরুদ্ধে লড়াই করে।

হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয়: ঘি বাট্রিক অ্যাসিডের একটি দুর্দান্ত উত্স। এটি একটি শর্ট-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড যা অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলি ডায়েটার ফাইবার বাটরেটকে ভেঙে ফেললে তৈরি হয়। কোলন কোষগুলি তাদের শক্তির উৎস হিসাবে এই অ্যাসিড ব্যবহার করে। এটি অন্ত্রের প্রাচীরগুলিকে শক্তিশালী করার জন্য দুর্দান্ত। অন্ত্রের ব্যাধি যেমন ক্রোনজ ডিজিজে কাজে দেয়।

স্মৃতি শক্তি বাড়িয়ে দেয়: ঘিয়ের স্বাস্থ্যকর স্যাচুরেটেড ফ্যাটগুলি চিন্তাশক্তি বাড়িয়ে তোলে। এটি কোষ এবং টিস্যুকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়। খালি পেটে সকালে ঘি খাওয়ার ফলে কোষের পুনরুজ্জীবনের প্রক্রিয়া উন্নত হয় যা আমাদের দেহের নিরাময় প্রক্রিয়াটিকে বাড়িয়ে তোলে।

ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর থাকে: ঘিয়ের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান ত্বক ভালো রাখে, ত্বকের জ্বালা কম করে, পিগমেন্টেশন কম করে, বার্ধক্যকে বিলম্বিত করে, শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়। এটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসাবে কাজ করে যা ত্বক এবং চুলে ঔজ্জ্বল্য নিয়ে আসে।

এনার্জি যোগায় ও ওজন কমায়: ঘিতে উপস্থিত ফ্যাটি অ্যাসিড একে একটি আয়ুর্বেদিক সুপারফুডে পরিণত করে যা একটি সমৃদ্ধ শক্তির উৎস হিসাবে বিবেচিত হয়। এছাড়াও, ঘিয়ে আছে স্বাস্থ্যকর ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে।

এ ছাড়াও হার্ট ভাল রাখতে, দৃষ্টি শক্তি উজ্জ্বল রাখতে, ক্যানসার প্রতিরোধে, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে এবং সামগ্রিক ভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতিতে ঘিয়ের অবদান অনস্বীকার্য।

Check Also

পাই’লস সম’স্যার চির’স্থা’য়ী সমা’ধান লা’উ শা’ক!

পাইলস স’মস্যার চির’স্থা’য়ী – শীতের একটি সু’স্বাদু সব’জি হচ্ছে লা’উ শাক। এটি একটি ফ’লিক এসিড ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *