Breaking News
Home / HEALTH / টানা নাইট শিফট করতে হয়? বাড়ছে ক্যান্সারের ঝুঁকি

টানা নাইট শিফট করতে হয়? বাড়ছে ক্যান্সারের ঝুঁকি

রাত জেগে কাজ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন? নাইট শিফটেই বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন? অজান্তেই নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো ? সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে যারা টানা নাইট শিফট করেন, তাঁদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি। অন্য কর্মীদের তুলনায় তাঁদের এই মারণ রোগ হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেশি।

ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রফেসররা যে রিপোর্ট তৈরি করেছেন, তাতে কিন্তু সেরকমই ইঙ্গিত রয়েছে। তাঁরা বলছেন গোটা রাত জেগে কাজ করে গেলে অধিক হারে নিঃসারিত হয় টেস্টোস্টেরন ও ইস্ট্রোজেন নামের দুটি হরমোন। ‘ভুল’ সময়ে এই যৌন হরমোনগুলির অতিরিক্ত নিঃসরণের জন্যই নাইট শিফটে যারা কাজ করেন, তাঁদের মারণ ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এছাড়াও গবেষকরা জানাচ্ছেন, নাইট শিফটের কর্মীদের ডিএনএর ক্ষতি হয়। রাত জাগার পরিশ্রম সরাসরি প্রভাব ফেলে ডিএনএতে। তবে এই বিষয়ে এখনও গবেষণা সম্পূর্ণ হয়নি বলে জানিয়েছেন তাঁরা। গবেষকরা একশো জনেরও বেশি মানুষের মূত্রের নমুনা সংগ্রহ করেন। তারপরে চলে পরীক্ষা নিরীক্ষার কাজ। এর পর পরীক্ষাগারে তা গবেষণা করে দেখা যায়, বেশিরভাগেরই মূত্রে ইস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ অতিরিক্ত পরিমাণে বেশি৷

গবেষণা পত্রে বিজ্ঞানীরা জানান, সকাল দশটা থেকে রাত দু’টোর মাঝামাঝি সময়ে যৌন হরমোনের ক্ষরণ বেশি হয়। আবার টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণের হার ভোর ছ’টা থেকে সকাল দশটার সময় অনেকটাই কম হয়। মানুষের শারীরিক স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটায় নাইট শিফট। ফলে বায়োলজিক্যাল ক্লক উলটো পথে চলে। হরমোনের অধিক ক্ষরণই নাইট শিফটে কাজ করা মহিলা কর্মী এবং পুরুষ কর্মীদের স্তন ও মূত্রথলীর ক্যানসারের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহু গুণ বাড়িয়ে দেয়৷

এছাড়া জানা গিয়েছে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি সূত্র অনুযায়ী, নাইট শিফটে কাজ করার সময় কৃত্রিম আলো শরীরের ক্ষতিসাধন করে৷ এই তথ্যের ভিত্তিতে গবেষকদের আশঙ্কা, তা স্তন ক্যান্সারের আশঙ্কা বাড়ায়। ১.৪ লক্ষ মহিলাকে এই কাজের জন্য পরীক্ষা করা হয়। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির রিপোর্টে থেকে জানা যায় রাতে কাজ করলেই যে স্তন ক্যান্সার হবে তা না হলেও, ঝুঁকি বাড়ছে।

Check Also

পাই’লস সম’স্যার চির’স্থা’য়ী সমা’ধান লা’উ শা’ক!

পাইলস স’মস্যার চির’স্থা’য়ী – শীতের একটি সু’স্বাদু সব’জি হচ্ছে লা’উ শাক। এটি একটি ফ’লিক এসিড ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *