Breaking News
Home / LIFESTYLE / জে’নে নিন বেসিনের পাইপের ময়লা দূর করার সহজ কিছু টিপস

জে’নে নিন বেসিনের পাইপের ময়লা দূর করার সহজ কিছু টিপস

বেসিনের পাইপে ময়লা জমে পানি নির্গমন ব’ন্ধ হয়ে গেলে পড়তে হয় বিড়ম্বনায়। খুব সাধারণ কয়েকটি পদ্ধতি অবলম্বন করে ব’ন্ধ হয়ে যাওয়া পাইপ করে ফেলতে পারেন একেবারে আগের মতো। লবণ, বেকিং সোডা, ভিনেগারসহ কয়েকটি উপাদানের সাহায্যে কীভাবে বেসিনের পাইপ প’রিষ্কার করবেন জে’নে নিন।

আধা কাপ লবণ ঢেলে দিন বেসিনের ড্রেনে। দুই লিটার পানি ফুটিয়ে গরম পানি ঢেলে ঠিক আধা ঘণ্টা পর। ধীরে ধীরে ঢালবেন পানি। দুই লিটার পানি ঢালা হলে আরও খানিকটা গরম পানি ঢালুন যেন লবণ পুরোপুরি দূ’র হয়। লবণের স’ঙ্গে স’ঙ্গে দূ’র হবে জমে থাকা ময়লাও।

ফুটিয়ে কয়েক চামচ ডিটারজেন্ট মেশান। ফেনা উঠে গেলে ঢেলে দিন বেসিনে। এটিও পাইপে জমে থাকা ময়লা দূ’র ক’রতে সাহায্য করবে।আধা কাপ বেকিং সোডা দিয়ে দিন বেসিনের নেটের ওপরে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে সাদা ভিনেগার ঢেলে দিন এক কাপ। শেষে গরম পানি দিয়ে দিন। দূ’র হবে ময়লা। বেকিং সোডা ও গরম পানির সাহায্যেও দূ’র ক’রতে পারবেন বেসিনের পাইপে জমে থাকা ময়লা।

টনসিলের যন্ত্রণায় ছোট-বড় উভ’য়ই ভুগে থাকেন। এই স’মস্যা হলে গলায় ব্য’থা হয়। এমনকি ঢোক গিলতেও খুব কষ্ট হয়। আর এই ব্য’থার কারণে খাবার খাওয়া ক’ঠিন হয়ে প’ড়ে। মূলত টনসিলে সংক্র’মণ ের কারণেই এই ব্য’থা হয়ে থাকে।

জিহ্বার পেছনে ও গলার দুই পাশে গোলাকার পিণ্ডের মতো যা দেখা যায় তা হলো টনসিল। টনসিল দে’খতে মাংসপিণ্ডের মতো মনে হলেও এটি মূলত এক ধ’রনের টিস্যু বা কোষ। টনসিল মুখ, গলা, নাক কিংবা সাইনাস হয়ে রো’গজী’বাণু অন্ত্রে বা পে’টে ঢু’কতে বা’ধা দিয়ে থাকে। ভা’ইরাসের সংক্র’মণ ের কারণে টনসিলের ব্য’থা হয়ে থাকে। সর্দি-কাশির জন্য দায়ী ভা’ইরাসগুলো টনসিলের এ সংক্র’মণ ের জন্যও দায়ী।

তবে টনসিলের যন্ত্রণা থেকে মু’ক্তি পেতে ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করাই শ্রেয়। এতে খুব দ্রুত আপনি এই যন্ত্রণা থেকে মু’ক্তি পেয়ে যাবেন। চলুন জে’নে নেয়া যাক টনসিল প্র’তিরো’ধের ঘরোয়া উপায়-লেবুর রসের জাদু-লেবু সংক্র’মণ রো’ধে খুবই কা’র্যকরী। এক গ্লাস সামান্য উ’ষ্ণ পানিতে ১ চামচ লেবুর রস, ১ চামচ মধু, আধা চামচ লবণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। গলাব্য’থা ভালো না হওয়া পর্যন্ত খেতে থাকুন। দেখবেন খুব দ্রুত ফলাফল পেয়ে যাবেন। টনসিল দূ’র ক’রতে লেবু খুবই উপকারী।

সবুজ চা ও মধু- এক কাপ গরম পানিতে আধা চামচ সবুজ চা পাতা আর এক চামচ মধু দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এবার ধীরে ধীরে চুমুক দিয়ে ওই চা পান করুন। সবুজ চায়ে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যা ক্ষ’তিকর জী’বাণুকে ধ্বং’স করে। দিনে ৩ থেকে ৪ কাপ এই মধু-চা খেতে পারলে উপকার পাবেন।

হলুদ দুধ- এক কাপ গরম দুধে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে খেতে পারেন। ছাগলের দুধ টনসিলের ব্য’থা দূ’র ক’রতে খুব ভালো কাজ করে। কারণ ছাগলের দুধে আছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। ছাগলের দুধ না পেলে গরুর দুধে হলুদ মিশিয়ে সামান্য গরম করে খেলেও উপকার পাবেন। হলুদ অ্যান্টি ইনফ্লামেন্টরি, অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ একটি উপাদান, যা গলাব্য’থা ও টনসিলের সংক্র’মণ দূ’র করে।

খাবার জী’বাণুমুক্ত করার উপায় জা’নালো ইউনিসেফ করো’না ভা’ইরাস থেকে বাঁচতে ব্য’ক্তিগত সুর’ক্ষার পাশাপাশি খাবারের বিষয়েও সত’র্ক থাকতে হবে। এই সময় স্বা’স্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ধ’রে রাখতে কিছু মূল্যবান প’রামর্শ দিয়েছে ইউনিসেফ। এই সময় খাবারের মাধ্যমেই শ’রীরের রো’গ প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা বাড়াতে হবে। তবেই র’ক্ষা মিলবে কো’ভিড-১৯ ব্যাধি থেকে।

করো’না র এই প্রাদু’র্ভাবকালে স্বা’স্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ধ’রে রাখতে কিছু মূল্যবান প’রামর্শ দিয়েছে ইউনিসেফ। তাদের মূল প্রতিপাদ্য হলো, জী’বাণুমু’ক্ত খাবার গ্রহণ এবং প্যাকেটজাত খাবার জী’বাণুমু’ক্ত রাখতে করণীয়।বিভিন্ন খাবারজাত পণ্য বা তার মোড়কের মাধ্যমে করো’না ভা’ইরাস সংক্র’মণ হতে পারে কিনা এমন কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত নেই। তবে এটি নি’শ্চিত যে, বিভিন্ন জড়বস্তুর ওপর করো’না ভা’ইরাস দীর্ঘক্ষণ সক্রিয় থাকে। আর এই সময়কালের মধ্যে যে কেউ ওই পণ্যে হাত দেয়া মাত্র সে করো’না র জী’বাণু বহন করবে।

এজন্য এই সময় নিজে বাজার করুন আর হোম ডেলিভারি নিন না কেন পরি’ষ্কার থাকাটা বাধ্যতামূলক। বাজারের ব্যাগ, খাবারের মোড়ক কিংবা কাঁচা শাক-সবজির উপরেও করো’না ভা’ইরাসের জী’বাণু থাকতে পারে। সেগুলো স্প’র্শ করার পর হাত না পরি’ষ্কার করলে আপনিও প্রা’ণঘাতি এই রো’গে আক্রা’ন্ত হতে পারেন।

পণ্য জী’বাণুমু’ক্ত ক’রতে যা করণীয়: ঘরে ফি’রেই হাত পরি’ষ্কার করুন। এরপর প্রথমেই খাবারের মোড়কগুলো ঢাকনাওয়ালা ময়লার ঝুঁড়িতে ফে’লে দিন। কৌটাজাত খাবারগুলো খোলার আগেই তার বাইরের অংশে জী’বাণুনাশক প্রয়োগ করে মুছে নিন। কাঁচা শাক-সবজি কল ছে’ড়ে পানির নিচে রাখু’ন। ধোয়া হয়ে গেলে আপনার হাত কনুই পর্যন্ত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন। যে কোনো কাজে’র পর হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার ক’রতে ভুলবেন না।

অন্যান্য কিছু সত’র্কতাও এই সময় মেনে চলতে হবে-> রান্না ও খাবার পরিবেশনের পূর্বেও সাবান দিয়ে ২০ সেকেন্ড হাত ধুয়ে নিন।> মাছ, মাংস কাটার পর তা ভালোভাবে ধুয়ে উচ্চ তাপমাত্রায় সিদ্ধ করে নিন।> ন’ষ্ট হয়ে যায় এমন খাবার ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন।> ময়লা কখনো জমিয়ে রাখবেন না। প্রতিদিনের ময়লা যথাস্থানে ফেলতে হবে।

ময়লা ফেলার সময় একটি ব্যাগে সব বেঁধে তারপরে ফেলা উচিত> প্রতিবার খাওয়ার আগে থালা-বাসন, চামচ জীবাণূনাশক দিয়ে পরি’ষ্কার করে নিন। তারপর নিজে’র হাতও ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে ধুতে হবে।> পরিবারের ছোটদেরকেও সুরক্ষিত থাকার বিষয় মেনে চলার
অভ্যাস করানো উচিত।

Check Also

রা’ন্না ছাড়াও মাইক্রোওভেন দিয়ে এই কাজ গুলো ক’রতে পারেন যা আগে কখনই করেন নি!

মাইক্রোওভেন এখন প্রায় প্রতিটি মধ্যবিত্ত পরিবারেই সামিল৷ খাবার গরম ক’রতে মাইক্রোওভেনের ব্যবহার আম’রা সবাই জানি৷ ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *