Breaking News
Home / WORLD / মাটির তলায় চাপা পড়ে গ্রাম, কারা থাকে?

মাটির তলায় চাপা পড়ে গ্রাম, কারা থাকে?

পৃথিবী যেমন বৈচিত্রে ভরা তেমন নানা অনন্য বৈশিষ্টও লক্ষ্য করা যায় এখানে। কিছু বিশিষ্টতা আমাদের যে শুধু অবাক করে তা নয়, এনে দেয় নানা প্রশ্ন। এই মাটির নীচেই রয়েছে একটি গোটা গ্রাম। মানুষও থাকে সেখানে। তাদের দৈনন্দিন জীবন সেখানেই নাকি কাটে। ভাবছেন এটাও সম্ভব? বিশ্বাস না হলে বাকিটা পড়ুন।

লিলিপুটদের রাজ্য নামে পরিচিত এটি। আমাদের দেশে নয়, এটি অবস্থিত ইরানের পূর্ব খোরাসান প্রদেশে। গ্রামটির বয়স প্রায় ৫০০ বছর। ইরানে এমন অনেক আশ্চর্যময় জায়গা রয়েছে। তবে এই মাখুনিক গ্রাম পর্যটকদের কাছেও বিশেষ আকর্ষণীয়। এখানকার বাসিন্দাদের সবারই উচ্চতা খুব ছোট। বাস্তবে তারা থাকতো আফগানিস্তানে। তাদের এই স্বল্প উচ্চতার জন্যে একটি কারণ দায়ী। তারা সিসা মেশানো জলপান করে বলে উচ্চতা বাড়েনি। তারা নিজেদেরকে স্বাভাবিক পৃথিবীর থেকে বেশ দূরে রাখতো। তাই যাতে তাদের বংশের কেউ বাইরে কোথাও বিয়ে না করে তাই নিজেদের মধ্যেই বিয়ের রীতি প্রচলিত ছিল। এটাও একটি বৈজ্ঞানিক কারণ উচ্চতা না বাড়ার। এর সঙ্গে ছিল অনুন্নত জীবন ও অপুষ্টি।

তারা পাথর দিয়ে বাড়ি বানিয়েছে যে সত্যি তাদের স্থাপত্যকীর্তির বিরল নজির। সেই বাড়ি একমাত্র তাদের সরু গলির পাশ দিয়ে হেঁটে গেলেই আপনি দেখতে পাবেন। এই বাড়ির রয়েছে অন্য রহস্য। আপনার মনে হবে যে মানুষগুলি আকৃতিতে ছোট হওয়ায় বাড়ির আকারও ছোট বানিয়েছে। কিন্তু, তা নয়। তাদের এমনটা করার কারণ হলো উপযুক্ত বাড়ি বানানোর সরঞ্জাম আনার ব্যবস্থা নেই। আবার বেশি বড়ো বাড়ি হলে তা গরমে ঠান্ডা ও ঠান্ডায় গরম রাখা কঠিন। সাধারণ মানুষ এদের সম্পর্কে জানতে পারার পর থেকেই এদের জন্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা হয়েছে। ফলে এখন আধুনিক শহরের মতো যাবতীয় সুযোগ ও সুবিধা তৈরি হয়েছে।

সেই সময় থেকেই মাখুনিকের বাসিন্দাদের মধ্যেও পরিবর্তন আসতে থাকে। পরবর্তী প্রজন্মরা লম্বা হতে থাকে। ২০০৫ সালে এখন থেকে একটি মমি পাওয়া গিয়েছে যার উচ্চতা ২৫ সেন্টিমিটার। তাছাড়া পাওয়া গিয়েছে ৭০০র বেশি কবর।

Check Also

প্রতিবছর আকাশ থেকে বৃষ্টির মত ঝরে পড়ে মাছ এই শহরে!

বছরের নির্দি’ষ্ট সময়ে আকাশ থেকে ঝরে পড়ে মাছ। এলাকায় মৎস্য বৃ’ষ্টি নামেই এই ঘটনা পরিচিত। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *