Breaking News
Home / WORLD / জলে নিমজ্জিত ভুতুড়ে গ্রাম! ২৬ বছর পর মিললো খোঁজ!

জলে নিমজ্জিত ভুতুড়ে গ্রাম! ২৬ বছর পর মিললো খোঁজ!

গ্রামটির নামই যেন হয়ে গিয়েছে ভুতুড়ে গ্রাম। গত ৭৩ বছর ধরে সেটি বেঁচে রয়েছে জলের নীচে। ভাবা যায়? একটা গোটা গ্রাম কীভাবে জলে নিমজ্জিত হয়ে থাকতে পারে? কোথায় গেলো গ্রামে বসবাসকারী মানুষেরা? হ্যাঁ, গল্প নয় এটাই সত্যি। সেই গ্রামটি নাকি ইতালিতে অবস্থিত। শেষবার এই গ্রামটিকে নাকি উঠে আসতে দেখা গিয়েছিল ১৯৯৪ সালে। “ফ্যাব্রিশ ডি ক্যারিন” নাম ওই গ্রামের। টাস্কানি প্রদেশের ‘লুক্কা’ নামের অঞ্চলে অবস্থিত এই গ্রামটিকে এখনো পর্যন্ত ১৯৫৮, ১৯৭৪, ১৯৮৩ ও ১৯৯৪ মোট এই চারবারই দেখা গিয়েছে জলের উপরে উঠে আসতে।

বলা হয়, এই গ্রামটি তৈরি হয়েছিল ১৩০০ শতকে। এই গ্রামে লোহার উৎপাদন হত বলে এখানে বেশিরভাগই থাকত কামার সম্প্রদায়ের পরিবারগুলি। কিছু কিছু মানুষের মুখে প্রচারিত যে এই গ্রামে অতৃপ্ত আত্মা আর অশরীরীদের বসবাস ছিল বলেই একটি ঝিল তৈরি করে গ্রামটিকে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিল তখন। সবসময়ই ৩৪ মিলিয়ন কিউবিক মিটার জলের নীচে ডুবে থাকে গ্রামটি।

২০২০ সালে আবারও গ্রামটি উঠে এসেছিলো জলের উপরে। অনেকের অনুমান, এই বছরের শেষে বা আগামী বছরের শুরুতে পর্যটকরা আবার এই মধ্যযুগীয় ঐতিহাসিক ও অদ্ভুত গ্রামটিকে দেখতে যেতে পারবেন। ২৬ বছর পর নাকি ফের ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে এই ঝিলের জল। ঝিলের জল খালি করছে একটি সংস্থা যাতে ভেতরের দিকটা কিছুটা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করা যেতে পারে। ২০২১ সালে এই কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে জানায় সেই সংস্থা।

১৯৪৭ সালে এই গ্রামের উপর একটি বাঁধ তৈরি করেছিল ইনেল কোম্পানি। গ্রামটি জলের নীচ থেকে উঠে এলে সেখানে ১৩০০ শতকের পাথরের তৈরি ইমারত দেখতে পাওয়া যায়। এই গ্রামটিতে এখনো চার্চ, কবরস্থান এবং পাথরের তৈরি অনেক বাড়ি রয়েছে। জল একদম কম হয়ে যাওয়ার পর মানুষ এই গ্রামের ভেতরেও ঢুকে পুরো ঘুরে দেখতে পারবেন। ১৯৯৪ সালে এক মিলিয়নের বেশি মানুষ দেখতে পেয়েছিলো গ্রামটিকে। তবে এর রহস্য এখনো মীমাংসিত হয়নি।

Check Also

প্রতিবছর আকাশ থেকে বৃষ্টির মত ঝরে পড়ে মাছ এই শহরে!

বছরের নির্দি’ষ্ট সময়ে আকাশ থেকে ঝরে পড়ে মাছ। এলাকায় মৎস্য বৃ’ষ্টি নামেই এই ঘটনা পরিচিত। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *