Breaking News
Home / NEWS / ই’উ’হা’নে’র ল্যা’ব থেকে’ই ছ’ড়ি’য়েছিল ক’রো’না, সাম’নে চ’মকে দেওয়ার মতো ত’থ্য

ই’উ’হা’নে’র ল্যা’ব থেকে’ই ছ’ড়ি’য়েছিল ক’রো’না, সাম’নে চ’মকে দেওয়ার মতো ত’থ্য

করোনা সংক্রমণ নিম্নমুখী। তবে এখনও একটা আতঙ্ক রয়েছে। এখনও এই ভাইরাসের কবলে বিশ্বের নানা দেশে মৃত্যুলীলা জারি রয়েছে। কিন্তু কী ভাবে এল এই ভাইরাস? কী ভাবে ছড়িয়ে পড়ল গোটা বিশ্বে? শুরু থেকেই এ নিয়ে নানা তথ্য ও বিতর্ক দেখা গিয়েছে। উঠে এসেছে চিনের ইউহান প্রদেশের ল্যাবরেটরির প্রসঙ্গ। অনেকেই এর পিছনে সরাসরি চিনকে দায়ী করেছে।

এবার সেই সূত্র ধরেই নতুন তথ্য তুলে ধরলেন জার্মানের বিজ্ঞানী ড. রোনাল্ড উইসেনডেঞ্জার (Roland Wiesendanger)। হামবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষকের দাবি, এই পরিস্থিতি মনুষ্যসৃষ্ট। ইউহানের ল্যাবরেটরি থেকেই ছড়িয়ে পড়েছিল এই মারণ ভাইরাস। এ নিয়ে ১০৫ পাতার একটি গবেষণাপত্রও প্রকাশ করেছেন তিনি।

করোনার উৎস নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত পুরো বিশ্ব। একদিকে, ল্যাব-লিকের সম্ভাবনা নিয়ে সে ভাবে নিশ্চিত নয় WHO। ল্যাবরেটরি থেকে ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভাবনা কম। এমনই দাবি করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একাংশ। Science Alert-এর বেশ কয়েকটি প্রতিবেদনে এ নিয়ে বিশদে আলোচনা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি ছোট ল্যাবও একই দাবি করেছে। এই ল্যাবগুলির বক্তব্য, বর্তমানে যে ভাইরাস আক্রমণ করছে, তা প্রকৃতিতেই মুক্ত ভাবে ঘোরাফেরা করছে। কোনও নির্দিষ্ট ল্যাবে এই ধরনের ভাইরাস তৈরি হয়নি।

অন্য দিকে, রোনাল্ড উইসেনডেঞ্জারের বক্তব্যে একদম ভিন্ন তথ্য উঠে আসছে। জার্মানের এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উইসেনডেঞ্জার জানান, আমি ৯৯.৯ শতাংশ নিশ্চিত। চিনের ইউহান প্রদেশের ল্যাবরেটরি থেকেই এসেছিল করোনাভাইরাস। কারণ চিনের বিবৃতি ও গবেষণাতেও একাধিক খামতি রয়েছে। সত্যি বলতে চিনে এই মারণ ভাইরাসের কোনও ন্যাচারাল হোস্টও পাওয়া যায়নি। তাহলে কোথায় ছিল এই ভাইরাস?

তাঁর কথায়, প্রথমের দিকে নানা গবেষণায় জানা গিয়েছে, বাদুড়ের মাধ্যমে ছড়াতে পারে করোনা। একসময় মোজিয়াংয়ের বাদুড়কেই করোনার বাহক হিসেবে ধরা হয়েছিল। কিন্তু ইউহান প্রদেশ থেকে প্রায় ১২০০ মাইল দূরে এই জায়গাটি। এক্ষেত্রে বাদুড় এই মারণ ভাইরাস বহন করে ইউহান পর্যন্ত আসতে পারবে না। এটি প্রায় অসম্ভব। তাঁর দাবি, Wuhan Institute Of Virology-এর গবেষকরাই এই ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ করেছে। পরে ল্যাবরেটরিতে এ নিয়ে দীর্ঘ গবেষণা চালানো হয়। সেই সময়ে ল্যাবের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল। এর জেরে মারণ ভাইরাসটি বাইরে ছড়িয়ে পড়ে।

এই সব কিছু পেরিয়ে WHO-র গবেষকরদের বক্তব্য, এখনও করোনা ছড়ানোর সঠিক উৎস অনুধাবন করা যায়নি। শুধু বাদুড় নয়, অন্য কোনও প্রাণী থেকেও মানুষের দেহে ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। তাই ইউহান ল্যাবের ভাইরাস ছড়ানো নিয়ে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত হওয়াটা বোকামি ছাড়া আর কিছু না। এখনও অনেক বিষয় প্রমাণসাপেক্ষ। তাই আপাতত বিভ্রান্তি জারি। করোনার উৎস আপাতত এক রহস্য!

Check Also

রাজ্যজুড়ে ভারি থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস! আবাহাওয় দফতরের সর্তকতা জারি

রাজ্যজুড়ে ভারি থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস! আবাহাওয় দফতরের সর্তকতা জারি- উত্তর প্রদেশের উপরে থাকা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *