Breaking News
Home / LIFESTYLE / দিনে অন্তত দুবার যেভাবে টুথপেস্ট ও লেবু একসাথে পায়ের গোড়ালিতে লাগালে জীবনে আর ফা-টবেনা পা, রইলো পদ্ধতি!

দিনে অন্তত দুবার যেভাবে টুথপেস্ট ও লেবু একসাথে পায়ের গোড়ালিতে লাগালে জীবনে আর ফা-টবেনা পা, রইলো পদ্ধতি!

যদিও সারা বছরই প্রায় পা ফা-টা-র সমস্যা লক্ষ্য করা যায় তবে শীতকালে এর পরিমাণ যেন তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বেড়ে যায়।কারণ শীতের সময় আমাদের ত্বক অনেকটাই শুষ্ক হয়ে যায়। সাধারনত এর থেকে মুক্তি পেতে আমরা বাজারে চলতি ক্রিম ব্যবহার করি। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এ-গু-লি বিশেষ কাজের হয় না। তাই আমরা আজ এমন কিছু পদ্ধতির আলোচনা করবো যার সাহায্যে সহজেই দূরী-ভূ-ত করা যাবে এই পা ফা-টা-র স-ম-স্যা।

তবে তার আগে আমাদের জেনে নেওয়া প্রয়োজন পা ফা-টার প্রধান কারণ গু-লি। শীতকালে বাতাসের আদ্রতা কম থাকার দরুন পা সহজেই ফে-টে যায়। এছাড়া কোন ব্যক্তির যদি ডি-হা-ই-ড্রেশন স-ম-স্যা থাকে বা জল পান করার পরিমাণ কম হয় তা হলেও অনেক সময় পা ফা-টে। এছাড়া অত্যধিক জল ব্যবহার করা,অতিরিক্ত সময়ে গরম জলে ডুবিয়ে রাখা বা ডা-য়া-বে-টি-সে-র স-মস্যা থাকলেও পা ফা-টা লক্ষ্য করা যায়। এবার আমরা এর থেকে মুক্তি পাওয়ার পদ্ধতি গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

হালকা গরম জলে আগে আপনার পা-কে মিনিট ৫-১০ ভিজিয়ে রেখে দিন। এরপর শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে জল বের করে রাখা টক দই নিয়ে একটা মোটা লেয়ার পায়ের ফাটা জায়গায় মেখে নিন।টক দইতে থাকা এনজাইম পায়ের শ-ক্ত কেরাটিনাইজড চামড়াকে নরম করে, আর ফা-টা পায়ের স-মস্যা দূর করে। এরপর রয়েছে এসেনশিয়াল অয়েলের ট্রিটমেন্ট।পায়ের চামড়া ফে-টে গিয়ে যদি রু-ক্ষ হয়ে যায় বা লাল হয়ে যায়,

তাহলে এই চ্যামোমাইল এসেনশিয়াল অয়েল আপনি নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতেই পারেন।যদি পায়ের চামড়াকে উজ্জ্ল আর নরম করতে চান, তাহলে ক্যারট সিড অয়েল পায়ে মা-লিশ করতে পারেন।ত্বকের নানারকম স-ম-স্যা-য় রোজমেরী কিন্তু বহু প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে এসেছে।রোজমেরী এসেনশিয়াল অয়েলের অ্যাস্ট্রিনজেন্ট প্রপার্টিও পায়ের ত্বক কে নরম করে পা ফা-টা দূরী-ভূ-ত করতে সাহায্য করে।

তবে এসেনশিয়াল অয়েল গুলো ব্যবহার এর কিছু পদ্ধতি রয়েছে।এসেনশিয়াল অয়েল আর যে কোনো একটা ভেজিটেবল অয়েল নিয়ে প্রথমে মিশিয়ে নিন।তারপর পায়ে টক দই ব্যবহার করার পরে এই তেলের মিশ্রণটি ব্যবহার করে ফেলুন। দেখবেন পায়ের ফাটা কয়েক সপ্তাহেই পা ফা-টার স-ম-স্যা নিরাময় হয়ে গেছে। তবে যদি আপনি এত সব পদ্ধতি প্রয়োগ করতে না চান বা সময়ের অ-ভাব থাকে তাহলে আপনার জন্য রয়েছে আরও একটি পদ্ধতি যা একেবারেই সময় সাপেক্ষ নয়।

কেয়া শেঠের ‘হিল হিলিং লোশন’ এমন একটি লোশন,যা এসেনশিয়াল অয়েল, ভেজিটেবল অয়েল আর টক দইয়ের এক্সট্র্যাক্ট দিয়ে তৈরি।তাছাড়া এতে অ্যালোভেরা আর গ্লিসারিনও আছে যা আপনার পা-কে শুধু ফা-টার হাত থেকে মুক্তি দেবে না, পা নরম আর ম-সৃ-ণও করবে। নিয়মিত দুবার এটি ঠিক করে পায়ে লাগালে খুব সহজেই পা ফা-টা-র স-মস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

Check Also

রা’ন্না ছাড়াও মাইক্রোওভেন দিয়ে এই কাজ গুলো ক’রতে পারেন যা আগে কখনই করেন নি!

মাইক্রোওভেন এখন প্রায় প্রতিটি মধ্যবিত্ত পরিবারেই সামিল৷ খাবার গরম ক’রতে মাইক্রোওভেনের ব্যবহার আম’রা সবাই জানি৷ ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *