Breaking News
Home / NEWS / দুটি বাড়তি সুবিধা যোগ হলো প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনার অ্যাকাউন্টে

দুটি বাড়তি সুবিধা যোগ হলো প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনার অ্যাকাউন্টে

দেশের প্রতিটি মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকবে চিন্তা করে বিজেপি সরকার কেন্দ্রে আসার পর ২০১৪ সালে চালু করেছিল জন ধন যোজনা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। ধীরে ধীরে এই প্রকল্প দেশের বহু গরিব মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে দেশের কোটি কোটি গরিব মানুষের এই যোজনায় জন ধন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এমনকি এই সকল অ্যাকাউন্টকে বর্তমানে সরকারি বিভিন্ন সুবিধার জন্য কাজে লাগানো হচ্ছে কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে। পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সরাসরি টাকা পাঠানো হচ্ছে এই অ্যাকাউন্টগুলিতে। করোনা আবহে কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে এই অ্যাকাউন্টগুলিতে অনুদান দেওয়া হয়। আর এবার এই সকল অ্যাকাউন্টগুলির সাথে দুটি বাড়তি সুবিধা যোগ করলো কেন্দ্র সরকার।

কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে জন ধন যোজনার অ্যাকাউন্টে যে দুটি বাড়তি সুবিধা যোগ করা হয়েছে সেগুলি বীমা সংক্রান্ত। ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অল্প বিনিয়োগে যে দুটি বিমা প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বিমা প্রকল্প এবং প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা প্রকল্প চালু করেছিলেন সেই দুটি বিমাকে এবার সংযুক্ত করা হলো এই অ্যাকাউন্টের সাথে। অর্থাৎ বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই দুটি বিমার সুবিধা জন ধন অ্যাকাউন্ট যাদের রয়েছে তারা নিতে পারবেন। এমন সিদ্ধান্তের কথা শুক্রবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বিমা প্রকল্প : এই বীমা ভারতের ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সীদের জন্য। এই বীমার জন্য নাগরিকদের বছরে মাত্র ৩৩০ টাকা প্রিমিয়াম প্রদান করতে হয়। যার বিনিময়ে গ্রাহকের মৃত্যু বলে এককালীন দু’লক্ষ টাকা তার পরিবার পেয়ে থাকেন।

প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা প্রকল্প : বছরে মাত্র ১২ টাকা প্রিমিয়ামের বদলে পাওয়া যায় প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা প্রকল্পের সুবিধা। এই বীমার প্রকল্প পেয়ে থাকেন দেশের ১৮ থেকে ৭০ বছর বয়সী ব্যক্তিরা। এই বিমা কোনো গ্রাহকের থাকলে তার দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে তার পরিবার দু’লক্ষ টাকা এককালীন পেয়ে থাকেন। অন্যদিকে এই বীমাতেই দুর্ঘটনায় আংশিক কর্মক্ষমতা হারালে ওই ব্যক্তি এককালীন এক লক্ষ টাকা পেয়ে থাকেন।

Check Also

১ দিনের শিশুকন্যাকে ফেলে গেল বাবা-মা, কান্না শুনে আগলে রাখল রাস্তার কুকুর

একবিংশ শতাব্দিতে দাঁড়িয়েও কন্যা সন্তানের প্রতি অনীহার ছবিটা যেন বদলাচ্ছে না। চতুর্থীর সন্ধে, দুর্গাপুজোর শেষ ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *