Breaking News
Home / HEALTH / টক দই প্রতিরোধ করবে যে ৭টি মারাত্মক শারীরিক সমস্যা!

টক দই প্রতিরোধ করবে যে ৭টি মারাত্মক শারীরিক সমস্যা!

স্বাদে না হলেও টকদই কিন্তু গুণে রাজা। কারণ মিষ্টি দই আমাদের মুখে স্বাদলাগে বলে খাই। আর টকদই এড়িয়ে চলি এই কারণেই। কিন্তু আপনার কিছু শারীরিক সমস্যা আছে যার জন্য হয়তো আপনি প্রতিদিন অনেক কষ্ট ভোগ করছেন। অথবা অনেক ঔষুধ খাচ্ছেন। কিন্তু সমাধান পাচ্ছেন না কিছুতেই। আপনি হয় তো জানেন না মাত্র এক কাপ টকদই আপনার এই সমস্যা থেকে আপনাকে মুক্তি দিতে পারে। আসুন জেনে নেই টকদই আমাদের কি কি উপকার করে থাকে।

1.দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষা: টকদই ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিনের অনেক ভালো একটি উৎস। এই দুটি উপাদান দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষায় অনেক বেশি সহায়তা করে।

2.হজম সমস্যা প্রতিরোধ করে: টকদই হজমে সহায়তা করে। টকদইয়ের এনজাইম বদহজম প্রতিরোধে সহায়তা করে। এছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে টকদইয়ের জুড়ি নেই।

3.রক্তের কলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণে রাখে: টকদইয়ে ফ্যাট কম থাকে, এতে করে রক্তের ক্ষতিকর কলেস্টোরল ‘এলডিএল’ কমাতে সাহায্য করে।

4.উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে: অ্যামেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের হাই ব্লাড প্রেসার রিসার্চ ২০১২ এর গবেষণায় পাওয়া যায় যারা প্রতিদিন অন্তত ১ কাপ টকদই খান তাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা অন্যান্যদের তুলনায় প্রায় ৩১% কম থাকে।

5.ইষ্ট ইনফেকশন প্রতিরোধ করে: টক দইয়ে রয়েছে ল্যাক্টোব্যাসিলাস অ্যাসিডোফিলাস যা ইষ্ট ধ্বংস করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন মাত্র ৬ আউন্স টকদই দূর করবে ইষ্ট ইনফেকশনের সমস্যা।

6.কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে: ল্যাক্টোব্যাসিলাস নামক যে ব্যাকটেরিয়া টকদইয়ে রয়েছে তা কোলনে ভালো ব্যাকটেরিয়া বাড়ায় যা কোলনের প্রতিরক্ষায় কাজ করে। এই ভালো ব্যাকটেরিয়া খারাপ মাইক্রোঅর্গানিজম ধ্বংস করে।

7.হাড়ের সমস্যা দূর করে: টক দইয়ের ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ আমাদের হাড়ের গঠন মজবুত করতে সহায়তা করে।

এবং হাড়ের নানা সমস্যা জনিত রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

কিছু টিপস: টকদই শুধু শুধু খাওয়াটা আসলেই অনেক কষ্টের কাজ। তাই যদি টকদই আপনার খেতে বেশি কষ্ট হয়ে থাকে তাহলে এর সাথে পছন্দ মতো কিছু ফল কেটে মিশিয়ে নিন। যদি ফল দিতেও খেতে না চান তাহলে সল্টেড লাচ্ছি তৈরি করেও খেতে পারেন।

Check Also

শরীরের ছাঁকনি ‘কিডনি’ পরিষ্কার ও সুস্থ রাখবেন যেভাবে

কিডনি শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে অন্যতম। কিডনি সুস্থ রাখতে একজন মানুষের দৈনিক ৮ গ্লাস ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *