Breaking News
Home / NEWS / সংকটের মাঝেই স্বস্তির খবর, একদিনের সুস্থতায় রেকর্ড গড়লো রাজ্য

সংকটের মাঝেই স্বস্তির খবর, একদিনের সুস্থতায় রেকর্ড গড়লো রাজ্য

দিন কয়েক ধরেই রাজ্যে বিপুল সংখ্যক মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছিলেন। আর এই আক্রান্তের সংখ্যা দেখে স্বাভাবিকভাবেই রাজ্য সরকার থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছিলেন। আর এই উদ্বিগ্নতা কিছুটা হলেও কাটলো শনিবার। আক্রান্ত হওয়ার পরিসংখ্যান প্রায় একই রকম থাকলেও সংকটের মাঝে স্বস্তির খবর দিয়েছে রেকর্ড সংখ্যক মানুষের সুস্থ হয়ে ওঠা। শনিবার যে সংখ্যক মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন তা রাজ্যের ইতিহাসে রেকর্ড। আর এই বিপুল সংখ্যক মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরায় কিছুটা হলেও অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যাই বাঁধ দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

শনিবার রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের তরফ থেকে যে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে তাতে দেখা গেছে, নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৪০৪ জন। তবে গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১২৫ জন। যা কিনা সর্বকালের রেকর্ড। তবে আশঙ্কা বাড়িয়ে গত ২৪ ঘন্টায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪২ জন। আর এসবের পরে রাজ্যে মোট অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯ হাজার ৩৯১ জন। বর্তমানে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫৬,৩৭৭ আর মোট মৃতের সংখ্যা ১,৩৩২। তবে মৃত্যুহার কমে দাঁড়িয়েছে ২.৩৬ শতাংশে।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৫,৬২৮টি। যাও কিনা এযাবৎ সর্বাধিক। এর পরে রাজ্যে মোট ৭ লক্ষ ৮৯ হাজার ১৪০টি নমুনা পরীক্ষা করা হল। বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী রাজ্যে বর্তমানে প্রতি ১০ লক্ষ মানুষে ৮,৭৬৮ জনের করোনা পরীক্ষা হচ্ছে।

গত ২৪ ঘন্টায় কলকাতা এবং উত্তর ২৪ পরগনা বিপুল সংখ্যক মানুষ যেমন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ঠিক তেমনি এই দুটি জেলাতেই সবথেকে বেশি মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। গত ২৪ ঘন্টায় কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭২৭ আর সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা ৬৫৩। উত্তর ২৪ পরগনায় গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫২৪। এই জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা ৫৫৭। একইভাবে সমানতালে আক্রান্ত এবং সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা লক্ষ্য করা গিয়েছে অন্যান্য জেলাগুলিতেও।

Check Also

১ দিনের শিশুকন্যাকে ফেলে গেল বাবা-মা, কান্না শুনে আগলে রাখল রাস্তার কুকুর

একবিংশ শতাব্দিতে দাঁড়িয়েও কন্যা সন্তানের প্রতি অনীহার ছবিটা যেন বদলাচ্ছে না। চতুর্থীর সন্ধে, দুর্গাপুজোর শেষ ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *