Breaking News
Home / HEALTH / এই ৯ স্যানিটাইজার কিন্তু বিষ! ব্যবহার করার আগে দেখে নিন…

এই ৯ স্যানিটাইজার কিন্তু বিষ! ব্যবহার করার আগে দেখে নিন…

কিন্তু এখন বিশ্ব জুড়ে প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই ভীষণ মহার্ঘ্য হয়ে উঠেছে এই স্যানিটাইজার। বিশেষজ্ঞদের মতে এই মাস্ক, স্যানিটাইজার আর গ্লাভস নিয়েই এখন লড়তে হবে আমাদের। আসলে করোনার ভাইরাস হাত, নাক এবং মুখ দিয়ে প্রবেশ করে। তাই ভালোকরে সাবান দিয়ে হাত না ধুয়ে কিছুতেই তা কোথাও ছোঁয়ানো উচিত নয়। বার বার হাত ধুতে হবে। পকেটে স্যানিটাইজারক রাখতে হবে। প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর স্যানিটাইজার ব্যবহার করলে অনেকটাই সুরক্ষিত থাকা যায়। এছাড়াও সাবান দিয়ে ২০ সেকেন্ড ঘষে তবেই হাত ধুতে হবে। কিছু স্যানিটাইজারে মিথানলের পরিমাণ অনেকটাই বেশি রাখা হয়েছে। যা মানব দেহের পক্ষে ক্ষতিকারক। তাই স্যানিটাইজার কেনার সময় এই দিকগুলোতে ভালো ভাবে নজর দিন। এছাড়াও পারলে জেল বেসড স্যানিটাইজার কিনুন।
সাবান দিয়ে হাত ধোওয়া অনেক নিরাপদ

সাবান দিয়ে হাত ধোওয়ার চাইতে ভালো আর কিছুই হয় না। যতক্ষণ হাতের সামনে সাবান থাকছে ততক্ষণ স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না। এছাড়াও বেশি স্যানিটাইজার ব্যবহারে হাত খসখসে হয়ে যায়। কিছু স্যানিটাইজার আবার শরীরের পক্ষেও ভালো নয়। তাই কেনার সময় অবশ্যই ভালো করে খেয়াল রাখতে হবে। ওর মধ্যে যেন অবশ্যই ৮০ শতাশ অ্যালকোহল থাকে। সম্প্রতি বাজারে প্রচুর ভুয়ো স্যানিটাইজার এসেছে। যার মধ্যে অ্যালকোহল মোটে ২০ শতাংশ। আর এই ধরনের স্যানিটাইজার শরীরেরও খুব ক্ষতি করে।

এই স্যানিটাইজার গুলি ব্যবহার করবেন না

এই ৯টি স্যানিটাইজারে মিথানলের মাত্রা সবচেয়ে বেশি রয়েছে। যা শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর।

১.অল- ক্লিন হ্যান্ড স্যানিটাইজার

২.ইএসকে বায়োকেম হ্যান্ড স্যানিটাইজার

৩.ক্লিন কেয়ার নো জার্ম অ্যাডভান্সড হ্যান্ড স্যিনিটাইজার ৭৫ শতাংশ অ্যালকোহল

৪.লাভার ৭০ জেল হ্যান্ড স্যানিটাইজার

৫.দ্য গুড জেল অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল জেল হ্যান্ড স্যানিটাইজার

৬.ক্লিন কেয়ার নো জার্ম অ্যাডভান্সড হ্যান্ড স্যানিটাইজার ৭৫ শতাংশ অ্যালকোহল

৭.ক্লিন কেয়ার নো জার্ম হ্যান্ড স্যানিটাইজার ৮০ শতাংশ অ্যালকোহল (lot number 74589-005-03)

৮.ক্লিন কেয়ার নো জার্ম হ্যান্ড স্যানিটাইজার ৮০ শতাংশ অ্যালকোহল (lot number 74589-003-01)

৯.সেনিড্রেম অ্যাডভান্সড হ্যান্ড স্যানিটাইজার

কেনার আগে লেবেল দেখে নিন

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের কথা বলছেন চিকিৎসকরা। সবসময় দেখে নেবেন তা যেন অ্যালকোহল বেসড হয়। যে সব স্যানিটাইজার পরীক্ষিত এবং করোনাভাইরাসের সংক্রমণের আগে থেকেই বাজারে রয়েছে সেগুলি কেনার চেষ্টা করুন। করোনার সংক্রমণের পর নতুন বানানো হচ্ছে বা লোকাল মার্কেটে তৈরি হচ্ছে এরকম স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না। গাইডলাইন অনুসারে ৬০ শতাংশ ইথানল এবং ৭০ শতাংশ আইসোপ্রোপানল থাকা বাঞ্ছনীয়।

সঠিক স্যানিটাইজার বাছুন

অ্যালকোহল বেসড স্যানিটাইজার কেনার আগে এক্সপায়ারি ডেট দেখে নিন। এছাড়াও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল আর অ্যান্টি ভাইরাল প্রোটেকশন যেন থাকে তা দেখে নিন। ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ অ্যালকোহল থাকা বাধ্যতামূলক। এক্সপায়ারি ডেট পেরিয়ে যায় স্যানিটাইজার কিন্তু ত্বকের ক্ষতি করবে। আপনার এবং পরিবারের সুরক্ষায় এই কাজ ভীষণ জরুরি। কেনার পর তা সবসময় ঠান্ডা এবং শুকনো পরিবেশে রাখুন। রোদে কখনই স্যানিটাইজার ফেলে রাখবেন না।

মিথানল বেশি থাকলে যে যে লক্ষণ দেখা দেবে

মিথানলের বিষক্রিয়ায় বমি বমি ভাব, মাথাঘোরা, ক্লান্তি, দুর্বলতা, দৃষ্টি ঝাপসা এসব সমস্যা দেখা দিতে পারে। এবং বেশি পরিবাণ মিথানল শরীরে গেলে সেখান থেকে অন্ধত্ব মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। ত্বককে শুকনো করে দেয়। নিঃশ্বাসের সমস্যা হয়। শিশু এবং গর্ভবতীদের জন্য তা বিশেষ ক্ষতিকারক। আরেকটি বিপদ হল মিথানল দাহ্য বলে চটকরে আগুনও জ্বলে যেতে পারে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করার পর এরকম কোনও সমস্যা হলে দেরি না করে অবিলম্বে চিকিৎসক এর কাছে যান।

Check Also

যেসব লক্ষণে বুঝবেন আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল

রোগ প্রতিরোধ এমন একটি বিষয় যা রোগ জীবাণুর বিরুদ্ধে আপনার শরীরকে লড়াই করতে সহায়তা করে। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *