Breaking News
Home / INSPIRATION / কখনও সত্যের সঙ্গে আপস করেননি, সততার পুরস্কার হিসেবে ২৬ বছরে ৫৩ বার বদলি!

কখনও সত্যের সঙ্গে আপস করেননি, সততার পুরস্কার হিসেবে ২৬ বছরে ৫৩ বার বদলি!

২৬ বছরের কেরিয়ারে কখনও সত্যের সঙ্গে আপস করেননি। সরকারে যেই থাক, তাদের কোনও অ’ন্যা’য় কাজকে সমর্থন করেননি। সৎভাবে নিজের কাজটি করেছেন ভারতের হরিয়ানার শীর্ষস্থানীয় সরকারি আমলা অশোক খেমকা।কিন্তু, এই সততার পুরস্কার কী পেলেন? না কোনও সরকারি পুরস্কার বা খেতাব জোটেনি তার ভাগ্যে। বদলে জুটেছে শুধু বদলির বিজ্ঞপ্তি। হ্যাঁ, ২৮ বছরের প্রশাসক কেরিয়ারে ৫৩ বার বদলি হতে হয়েছে অশোক খেমকাকে।

রাজ্যটিতে কংগ্রেস যখন হরিয়ানার সরকারে ছিল, তখন তিনি ছিলেন বিজেপির প্রিয়পাত্র। কারণ, সরকারের কোনও ভুল সিদ্ধান্ত বা দু’র্নী’তিকে সমর্থন করতেন না। আবার একইভাবে বিজেপি যখন ক্ষমতায়, তখন বি’রো’ধীদের প্রিয়পাত্র অশোক। তিনি প্রথমবার শিরোনামে আসেন ২০১২ সালে।

বর্তমান কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক তথা তৎকালীন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরার স্বামী রবার্ট বঢরার একটি জমি চুক্তি বা’তিল করে দিয়েছিলেন অশোক। তার অভিযোগ ছিল, এই চুক্তিটি নিয়ম মেনে হয়নি। উল্লেখ্য, সেসময় ভুপিন্দর সিং হুদার সরকারের সঙ্গে বেশ কয়েকটি জমি চুক্তি করে রবার্ট বঢরার সংস্থা। যা নিয়ে পরবর্তীকালে কম জলঘোলা হয়নি।

সেসময়ের সেই চুক্তি বাতিল করার জেরেও তাকে শা’স্তি পেতে হয়। বদলি করে দেয় তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। তখন অবশ্য, বিজেপি তাকে সমর্থন করেছিল। বিরোধী আসনে থাকা গেরুয়া শিবির খেমকার বদলির সিদ্ধান্তের তী’ব্র স’মালো’চনাও করে। ২০১৪ সালে যখন বিজেপির সরকার এলো, তখন এই খেমকাই আবার তাদের চ’ক্ষুশূ’ল হলেন।

একাধিকবার বিজেপি আমলেও তাকে বদলি হতে হয়েছে। মাস ছয়েক আগেই তাকে বদলি করা হয়। সে সময় হরিয়ানার বিজ্ঞান এং প্রযুক্তি দপ্তরের প্রধান সচিবের পদে বদলি করা হয়েছিল। এবার তাকে বদলি করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে সংরক্ষণাগার, পুরাতত্ত্ব এবং জাদুঘর বিভাগে। বারবার বদলি হওয়ার জেরে স্বাভাবিকভাবেই অ’খু’শি অশোক খেমকা। তাই হয়তো টুইটারে আ’ক্ষে’প প্রকাশ করে লিখেছেন, সততার একটাই পুরস্কার, অ’পমা’ন।

Check Also

অঙ্কে ফেল করেও সফল IAS অফিসার, অনুপ্রেরণার নাম সইদ রিয়াজ আহমদ

জীবনে সাফল্য লাভের পথটি কখনোই মসৃন হয় না। অনেক প্রতিবন্ধকতা আসে সে পথে। কিন্তু লক্ষ্য ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *