Breaking News
Home / LIFESTYLE / মানিব্যাগ, চশমা, মোবাইল কীভাবে জীবাণুমুক্ত করবেন, জেনে নিন পদ্ধতি

মানিব্যাগ, চশমা, মোবাইল কীভাবে জীবাণুমুক্ত করবেন, জেনে নিন পদ্ধতি

দিনের প্রায় বেশির ভাগ সময়েই আমাদের সঙ্গে থাকে মোবাইল ফোন। করোনা মূলত হাঁচি-কাশির ড্রপলেটের মাধ্যমে ছড়ালেও মোবাইল ব্যবহারের সময় আপনার কিংবা আপনার পাশের জনের হাঁচি-কাশির ড্রপলেট মোবাইলের গায়েও পড়ে আপনার দেহে থাবা বসাতে পারে করোনা। তাই মোবাইল ফোনটি অবশ্যই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। হাত ধোওয়ার মতো বারংবার নিয়ম করে মোবাইলটিও পরিষ্কার করুন। করোনা-ত্রাসের সময় ছোটখাটো বিষয়গুলি ভুলেও এড়িয়ে যাবেন না। নইলে হয়ে যেতে পারে মারাত্মক ক্ষতি।

স্টেইনলেস স্টিল এবং প্লাস্টিকের যে কোনও তলে কমপক্ষে দুই থেকে তিন দিন জ্যান্ত অবস্থায় থাকতে পারে করোনাভাইরাস। অর্থাৎ আপনার স্মার্টফোনেও যে বেশ কিছু দিন এই ভাইরাস থাকতে পারে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এমনই আবহে দ্য সেন্টার্স ফর ডিসিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের তরফে বলা নিয়মকরে হাত ধোয়ার মতোই বারংবার পরিষ্কার করতে হবে। যেমন স্মার্টফোন বা যে কোনও মোবাইল হ্যান্ডসেট, কিবোর্ডস, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট ইত্যাদি নিত্যনৈমিত্তিক প্রয়োজনীয় সব গ্যাজেটই পরিষ্কার রাখতে হবে সবসময়।

এই সমস্যার সমাধানে এগিয়ে এলেন লার্সেন-টুব্রো ও ফিলিপস-এর মত বহুজাতিক সংস্থায় কাজে অভিজ্ঞ মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার শান্তনু ভৌমিক। তৈরি হলো ইউভি (আল্ট্রাভায়োলেট) রশ্মি দিয়ে স্টেরিলাইজ করার পোর্টেবল মেশিন। লকডাউন চলাকালীনই এই ভাবনা ভেবে নিয়েছিলেন তিনি, তারপর ঘরে বসেই বানিয়ে ফেললেন ১ ফুট বাই ৩ ফুট পোর্টেবল স্টেরিলাইজেশন মেশিন। আমলক এর সময় তার সেই চেষ্টা বাস্তবায়িত হলো।

কীভাবে কাজ করবে এই মেশিন?
এটি একটি পোর্টেবল মেশিন। বাড়ি হোক বা অফিস বা চেম্বার, সবখানেই ব্যবহার করা যাবে।এতে আল্ট্রা ভায়োলেন্ট রশ্মির ব্যবহার করা হয়েছে। বিজ্ঞানীদের দাবি এর ফলে সহজেই নষ্ট করা যাবে কোরোনা ভাইরাসকে। অফিসে ঢোকার রাস্তায় বা বেরোনোর রাস্তায় এটি কোনো টেবিলের ওপর বসিয়ে রাখলে এর মাধ্যমে সহজেই টাকা পয়সা, মোবাইল ফোন, ঘড়ি, চশমা ইত্যাদি স্টেরিলাইজ করা যায়।

সেলুনে ব্যবহৃত ক্ষুর বা কাচি বা বাজার থেকে কিনে আনা সব্জি, সবই জীবাণুমুক্ত করা যাবে এই মেশিনের সাহায্যে। এই মেশিনের আকার প্রয়োজন অনুসারে ছোট বা বড় করার সুবিধা আছে। মূলত ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, ওয়ালেট, পার্স সহ অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক্স গেজেট এবং কারেন্সি নোট বা টাকা সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত করার জন্য এই স্যানিটাইজেশন ক্যাবিনেট আনা হয়েছে। ওই ক্যাবিনেটে রাখা কোনও জিনিস ৩৬০ ডিগ্রি এক্সপোজারে স্যানিটাইজ হবে।

এই মেশিন আপাতত সিঙ্গেল ট্রে টাইপের আছে তবে ভবিষ্যতে এটিকে ডবল বা ট্রিপল ট্রে টাইপ হিসেবে ব্যবহার করার কথাও ভাবছেন তিনি। সেক্ষেত্রে একটি ট্রে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের জন্য এবং অন্য ট্রে টি মানিব্যাগ, মোবাইল ও অন্যান্য জিনিস স্টেরিলাইজেশনের জন্য থাকতে পারে।

জামাকাপড় হোক কিংবা ডেবিট ক্রেডিট বা আইডেন্টি কার্ড। সবকিছুকেই জীবাণুমুক্ত করা যাবে এই মেশিনের মাধ্যমে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু চেম্বার ও অফিসে এর ব্যবহার শুরু হয়েছে। এই মেশিনের সবথেকে ভালো দিক এর দাম।সাধ্যের মধ্যেই এই মেশিনের দাম ধার্য হয়। ছোট বড় অফিস হোক কিংবা কারখানা বা চেম্বার এমনকি বাড়িতেও এই মেশিন বেশ লাভজনক হবে বলেই মনে করছেন সবাই।

৭০ শতাংশ আইসোপ্রোপিল অ্যালকোহলযুক্ত স্যানিটাইজার দিয়ে স্মার্টফোন পরিষ্কার করা যায়। তাছাড়া ঘরোয়া পদ্ধতিতে এক লিটার জলের মধ্যে ১০ গ্রাম ব্লিচিং পাওডার ফেলে একটি কাপড় সেই মিশ্রণে ভিজিয়ে নিয়েও স্মার্টফোন সাফ করা যায়।

Check Also

হাঁড়িপাতিলের যে কোনো জেদি দাগ দূর করুন নি’মিষেই!

প্রতিদিন রান্নার কাজে হাঁড়িপাতিল অবশ্যই ব্যবহার ক’রতে হয়। এক্ষেত্রে নানা আকৃতির হাঁড়িপাতিল, কড়াই, ফ্রাইপ্যান কিংবা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *