Breaking News
Home / NEWS / লকডাউনের পর কাজ হারানোর ভয়! স্বনির্ভর হতে গ্যারান্টি ছাড়াই ১০ লক্ষ টাকা ঋণ দিচ্ছে কেন্দ্র

লকডাউনের পর কাজ হারানোর ভয়! স্বনির্ভর হতে গ্যারান্টি ছাড়াই ১০ লক্ষ টাকা ঋণ দিচ্ছে কেন্দ্র

করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে বাঁচতে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। পরিস্থিতি সামাল দিতে দফায় দফায় বেড়ে চলেছে লকডাউনের মেয়াদ। লকডাউনের ফলে কর্মসংস্থানের প্রবল সমস্যার আশঙ্কায় গোটা বিশ্ব। ভারতেও একই আশঙ্কায় দিন গুণছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।

2/8
স্বনির্ভর হতে গ্যারান্টি ছাড়াই ১০ লক্ষ টাকা ঋণ
স্বনির্ভর হতে গ্যারান্টি ছাড়াই ১০ লক্ষ টাকা ঋণ
এই পরিস্থিতিতে আশার আলো দেখাচ্ছে প্রধাণমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা। এই প্রকল্পে কোনও গ্যারান্টি ছাড়াই ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য সর্বাধিক ১০ লক্ষ টাকা ঋণ পেতে পারেন সাধারণ মানুষ। জেনে নিন কী ভাবে, কারা এই ঋণের জন্য আবেজন জানাতে পারবেন…
প্রধাণমন্ত্রী মুদ্রা যোজনায় ঋণ পাওয়ার জন্য ব্যবসার প্রকৃতি ও পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জানাতে হবে। এর জন্য আবেদনকারীকে একটি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। এ ছাড়াও, ঋণ নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত নথিপত্র প্রস্তুত রাখতে হবে।

সাধারণ নথির পাশাপাশি, ব্যাঙ্কের সমস্ত নথি, ব্যবসায়িক পরিকল্পনাপত্র, প্রকল্পের প্রতিবেদন, ভবিষ্যতের আয় সম্পর্কিত আনুমানিক বিশ্লেষণের প্রয়োজন হতে পারে। আবেদনকারীর কাছে এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা জানাতে এবং এই ঋণের মাধ্যে আবেদনকারী কী ভাবে উপকৃত হবেন বা ব্যবসায় কী ভাবে লাভ বাড়বে, তার একটি ধারণাও দিতে হবে।

আবেদনকারী একাধিক ব্যাঙ্কের তালিকা থেকে যে কোনও ব্যাঙ্ক বেছে নিয়ে প্রয়োজনীয় নথি-সহ নির্দিষ্ট ফর্ম ভরে আবেদন জানাতে পারেন। আবেদনের ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক পরিকল্পনা বা প্রকল্পের প্রতিবেদন, পরিচয় সম্পর্কিত নথি যেমন প্যান কার্ড, আধার কার্ড, ভোটার আইডি কার্ড ইত্যাদি অংশীদারি সম্পর্কিত দলিল, কর নিবন্ধকরণ, ব্যবসায় লাইসেন্স ইত্যাদি একাধিক নথি আপনাকে প্রস্তুত রাখতে হবে।

ঠিকানার প্রমাণপত্র হিসেবে টেলিফোনের বিল, বিদ্যুতের বিল-সহ আবেদনকারীর ছবি, ব্যবসার যে সামগ্রী আপনি কিনতে চান, সেই সঙ্গে নিজের ও ব্যবসা সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্যের নথি জমা দিতে হবে। দুই লক্ষ টাকার বেশি ঋণের ক্ষেত্রে বিগত দুই বছরের ব্যালান্স শিট এবং প্রজেক্টড ব্যালেন্স শিট জমা দিতে হতে পারে।

সঠিক ভাবে আবেদন করার পর ওই আবেদন যদি গ্রহণযোগ্য হয়, সে ক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক বা ওই নির্দিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান মুদ্রা ঋণের অনুমতি দেবে এবং আবেদনকারীকে একটি মুদ্রা কার্ড প্রদান করা হবে। মুদ্রা ঋণের সুদের হার বার্ষিক ১০ থেকে ১২ শতাংশ। সুদের হার ব্যবসার প্রকৃতি এবং তার সঙ্গে যুক্ত ঝুঁকি উপর নির্ভর করবে। এই প্রকল্পের আওতায় গ্যারান্টি ছাড়াই ঋণ পাওয়া যেতে পারে। এর জন্য কোনও প্রসেসিং ফি-ও দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ঋণ পরিশোধের মেয়াদ পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।

ঋণগ্রহীতাকে একটি মুদ্রা কার্ড দেওয়া হয়, যা ব্যবসায় প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। ঋণগ্রহীতার ঋণ শোধ করার ধারাবাহিকতার তথ্য বা সিভিল স্কোর অনুযায়ী ভবিষ্যতে প্রয়োজনে ফের ঋণের আবেদন করা যেতে পারে। প্রকল্প সম্পর্কিত আরও তথ্যের জন্য এখানে ক্লিক করুন http://mudra.org.in।

Check Also

১ দিনের শিশুকন্যাকে ফেলে গেল বাবা-মা, কান্না শুনে আগলে রাখল রাস্তার কুকুর

একবিংশ শতাব্দিতে দাঁড়িয়েও কন্যা সন্তানের প্রতি অনীহার ছবিটা যেন বদলাচ্ছে না। চতুর্থীর সন্ধে, দুর্গাপুজোর শেষ ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *