Breaking News
Home / LIFESTYLE / আকর্ষণীয় এই ৬টি স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য টমেটো অসাধারণ

আকর্ষণীয় এই ৬টি স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য টমেটো অসাধারণ

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি সপ্তাহে ৭-১০ কাপ টমেটো খেলে অনেকটা হৃদরোগ প্রতিরোধ করা যায়। আর যদি পরিমিত তেল দিয়ে রান্না করে টমেটো খাওয়া হয় তাহলে উপকার বেশি পাওয়া যায়। থ্রম্বোসিসের পরিমাণও কমায় এই টমেটো। চলুন জেনে নেই টমেটোর গুনাগুন সম্পর্কে।
১.উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা যে কোন রোগীর জন্য অনেক কঠিন একটা সমস্যা। তাই এখন থেকে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে একটি বা দুটি টমেটো খাবেন। সাথে কিছু চিনিও মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে অনেক ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সাহায্য করবে।

২.রক্ত স্বল্পতা দূরীকরণে
যারা রক্ত স্বল্পতা বা এনিমিয়ায় ভুগছেন, তাদের জন্য টমেটো বেশ উপকারী একটি সবজি বা ফল। একটি আপেল, একটি টমেটো এবং ১৫ গ্রাম তিল একসাথে খাবেন। প্রতিদিন এক বা দুইবার খেতে পারেন। এতে রক্ত স্বল্পতার সমস্যা অনেকটাই দূর হতে পারে।
৩.ক্ষত রোগ নিরাময়ে
আমাদের অনেকের মুখগহ্বরে মাঝে মাঝে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এই সমস্যা অনেকের হয়ে থাকে। আমি মনে করি এখন থেকে আর চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। টমেটো রস আমাদের সাহায্য করতে পারে। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় একবার করে টমেটোর রস খান। দেখবেন, দিন কয়েকের মধ্যে মাথার ক্ষত দূর হয়ে যাবে।

৪.স্ট্রোক প্রতিরোধে
টমেটার গুন অনেক। এই টমেটোর পুষ্টিগুণ মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়ায়, যা স্ট্রোক প্রতিরোধ করে। যখন মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয়, তখন স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যদি বংশে এই ধরনের রোগের প্রবণতা থাকে, তবে নিয়মিত টমেটো খাওয়া উচিত।
৫.স্বাস্থ্যকর চোখ ও ত্বক
ত্বক এবং চোখের জন্য টমেটো বেশ উপকারী। টমেটোর মধ্যে থাকা ভিটামিন এ- চোখ, ত্বক এবং হাড়কে সুস্থ রাখে। আপনি যদি কুচি করে কাটা এক কাপ কাঁচা টমেটো প্রতিদিন খান তাহলে দেহে ভিটামিন এ-র অর্ধেক চাহিদা পূরণ করা সম্ভাব।

৬.স্ট্রোক প্রতিরোধে
টমেটার গুন অনেক। এই টমেটোর পুষ্টিগুণ মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়ায়, যা স্ট্রোক প্রতিরোধ করে। যখন মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয়, তখন স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যদি বংশে এই ধরনের রোগের প্রবণতা থাকে, তবে নিয়মিত টমেটো খাওয়া উচিত।

Check Also

রান্নাঘরে এই ১০ জিনিস থাকলে এখনই ফেলে দিন

রান্নাঘর, যে কোনও বাড়ির অন্যতম গু’রুত্ব পূর্ণ একটি স্থান। কারণ রান্নাঘর যেমন আমাদের খাবারের যোগান ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *