Breaking News
Home / NEWS / এক সপ্তাহে পিএম কেয়ার ফান্ডে ৬,৫০০ কোটি, সব থেকে বড় অনুদান কার?

এক সপ্তাহে পিএম কেয়ার ফান্ডে ৬,৫০০ কোটি, সব থেকে বড় অনুদান কার?

করোনার জেরে স্তব্ধ গোটা বিশ্ব। ভারতেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০০ এর বেশি। করোনার সাথে যুঝতে সারা দেশ এখন গৃহবন্দী। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েও ভারতবাসী প্রহর গুনছেন এমন একটা দিনের যেদিন সকালে ঘুম ভেঙেই মৃত্যুর খবর শোনা যাবে না। সেই সকালে ভারত আবার ছন্দে ফিরবে। তবু করোনার সাথে লড়াই চলছে, করোনার হাত থেকে মানব অস্তিত্ব বাঁচানোর লড়াই চলছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১৩০ কোটি দেশবাসীকে একসাথে লড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। নমোর উদ্যোগেই করোনা মোকাবিলার জন্য ২৮শে মার্চ ‘পিএম কেয়ারস্‌ তহবিল’ গঠন করা হয়েছিল। যাতে ইতিমধ্যেই সাড়ে ছ’হাজার কোটি টাকা জমা পড়েছে।

মাত্র দশজনের মিলিত অনুদানে এই অর্থ জমা পড়েছে ভান্ডারে। টাটা গ্রুপ ও টাটা ট্রাস্ট মিলিতভাবে ১৫০০ কোটি টাকা অনুদান করেন।

রিলায়েন্স পিএম ফান্ডে ৫০০ কোটি টাকা অনুদান করেন এর সাথে মহারাস্ট্র ত্রান তহবিলে ৫ কোটি টাকা অনুদান দেন রিলেয়েন্স। এমনকি করোনা আক্রান্তদের জন্য ১০০ বেডের একটি হাসপাতাল তৈরী করে দেন রিলায়েন্স কতৃপক্ষ।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে ১০০ কোটি টাকা অনুদান করেছেন অ্যাভিনিউ সুপারমার্টসের প্রোমোটার রামকৃষ্ণ আদানি। এর সাথেই রামকৃষ্ণ আদানি একাধিক রাজ্যের ত্রান তহবিলে মোট ৫৫ কোটি টাকা অনুদান করেন।

আদিত্য বিড়লা গ্রুপ প্রধানমন্ত্রী তহবিলে ৫০০ কোটি টাকা অনুদান করেন। এছাড়াও মুম্বইয়ে ১০০ বেডের সেভেন হিলস্‌ হাসপাতাল তৈরীর পিছনে আদিত্য গ্রুপের হাত রয়েছে।

পিএম ত্রান তহবিলে ১০০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন জেএসডব্লিউ গ্রুপের চেয়ারম্যান সজ্জন জিন্দাল। করোনা পরিস্থিতিতে সরকারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সজ্জন জিন্দাল।

এছাড়াও পিএম তহবিলে ১০০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন আদানি ফাউন্ডেশন। এছাড়াও আদানি ফাউন্ডেশন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ত্রান তহবিলে ৫ কোটি টাকা ও মহারাস্ট্র মুখ্যমন্ত্রী ত্রান তহবিলে ১ কোটি টাকা দেন।
প্রধানমন্ত্রী তহবিলে ২৫ কোটি অনুদান করেছেন কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাংকের এমডি উদয় কোটাক। বিসিসিআই অর্থাৎ বোর্ড অফ কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া প্রধানমন্ত্রী ত্রান তহবিলে ৫১ কোটি টাকা অনুদান দেন।

করোনা মোকাবিলায় এগিয়ে এসেছেন টি সিরিজের কর্ণধার ভূষন কুমার। তিনি পিএম কেয়ারস্‌ তহবিলে ১১ কোটি টাকা অর্থ সাহায্য করেন। এর সাথেই মহারাস্ট্র মুখ্যমন্ত্রী ত্রান তহবিলে অনুদান দেন তিনি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই তহবিলে জমা টাকা খরচের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হচ্ছে কি না সেই নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। গত এক সপ্তাহে পিএম কেয়ার ফান্ডে ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা জমা পড়েছে। কিন্তু আগেই থাকা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে গত ২ বছরে জমা টাকার পরিমাণ ২ হাজার ১১৯ কোটি। সাধারণ মানুষের আয়কর বাঁচিয়ে যে টাকা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে জমা পড়ছে সত্যিই কি তার যথোপযুক্ত ব্যবহার হচ্ছে? উঠছে প্রশ্ন।

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে, লকডাউনের জেরে দেশের অর্থনীতি ধাক্কা খাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশবাসীকে রক্ষা করতে প্রয়োজন অর্থ। ভারতবাসী যেভাবে এ লড়াইয়ে সাহায্য করছেন তাতে আমরা যে একদিন ঠিক করোনাকে জয় করতে পারব তা নিশ্চিত।

Check Also

সাধারণ মানুষের রেশন নিয়ে ফের বড় খবর, রাজ্য সরকার আরও বাড়িয়ে দিলো সময়সীমা, রইলো বিস্তারিত!

আবারও কেন্দ্রকে ঝ-ট-কা দিল রাজ্য সরকার।নির্বাচনের আগেই রেশনের সময়সীমা বাড়িয়ে দিলো রাজ্যের শা-স-ক দল। শুধুমাত্র ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *