Breaking News
Home / NEWS / ভারতের করোনা পরীক্ষা-পদ্ধতি কতটা সঠিক?

ভারতের করোনা পরীক্ষা-পদ্ধতি কতটা সঠিক?

আসলে এখন যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা হ’ল করোনা ভাইরাসকে কীভাবে মোকাবেলা করা যায় সে সম্পর্কে ভারতকে খুব স্পষ্ট হওয়া দরকার এবং এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হ’ল আমাদের করোনাভাইরাস পরীক্ষার কৌশল। এটি ভারতে জীবন বাঁচাতে পারে। এখন এটি একবার দেখুন- ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে ভারত প্রায় 50,000 পরীক্ষা চালিয়েছে;

এটিকে দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে তুলনা করুন যা এ পর্যন্ত 1 দিনে প্রায় 250,000 পরীক্ষা চালিয়েছে।প্রায় ভারত প্রতি মিলিয়নে মাত্র 5 থেকে 10 টি পরীক্ষা চালিয়েছে এবং কোরিয়া প্রতি মিলিয়ন লোককে 4000 এরও বেশি পরীক্ষা করেছে। স্পষ্টতই কোরিয়া এবং ভারতের টেস্টিংয়ের দুটি খুব ভিন্ন পন্থা রয়েছে তাই করোনাভাইরাসকে এই সীমিত সংক্ষোক পরীক্ষার জন্য ভারতের যুক্তি কী?

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিকেল রিসার্চ বলছে এখনই তারা লক্ষণীয় পরীক্ষা করছে এবং তারা কী ধরণের পরীক্ষা করাছে ? যারা করোনভাইরাস এর প্রকোপ যুক্ত দেশ থেকে ভ্রমণ করেছেন যা অবশ্যই এখন অনেক গুলো দেশ।,যারা ইতিবাচক পরীক্ষার সাথে পরিচিত হয়েছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন l সুতরাং এটি ভ্রমণের ইতিহাস বা কোনও যোগাযোগের ইতিহাসের লোক এবং সেই লোকদের মধ্যে যারা শুষ্ক কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্টের করোনার লক্ষণগুলি দেখান তাদের মধ্যে তারা অগ্রাধিকার দেয়। এখন এর সাথে সমস্যাটি হ’ল কারণ আমরা কম পরীক্ষা করেছি তাই আমরা সম্ভবত সেখানে থাকা সব ধরণের ইতিবাচক ঘটনাগুলি সনাক্ত করতে পারি না বা আমরা এটি পর্যাপ্ত পরিমাণে করতে পারছি না।

এটি সত্যিই উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো বিষয় কারণ এটির ফলশ্রুতিতে আমরা আরও একটি ইতালি হয়ে উঠতে পারি যা বর্তমানে করোনার ভাইরাস দ্বারা সবথেকে বেশি আক্রান্ত দেশ। আমরা সবাই তা জানি। আজ ইতালি পুরো লকডাউন ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে তবে আপনি কি জানেন যে 15 ই ফেব্রুয়ারিতে ইতালিতে কেবল 3টি ইতিবাচক ঘটনা ঘটেছে এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় 28 টির ঘটনা ঘটে?

কোরিয়ায় আজ 9 হাজারেরও কম সক্রিয় পজিটিভ কেস রয়েছে এবং 160এর ও কম মারা গেছে যা ইতালির থেকে আলাদা কোরিয়া একটাই কাজ করেছিল যা ইটালি করেনি ?? কোরিয়া অনেক পরীক্ষা করেছিল এবং ভারতে তার বিপরীত করা হচ্ছে।আমাদের এই বিষয় টির ওপরে খেয়াল করা দরকার।

দক্ষিণ কোরিয়া কেবল যাতায়াত এবং যোগাযোগের ইতিহাস রয়েছে এমন ব্যক্তিদের এ নয়, যাদের লক্ষণগুলি ছিল তাদেরও সমান গুরুত্বপূর্ণভাবে পরীক্ষা করার জন্য বেঁছে নিয়ে ছিল । তারা এও নিশ্চিত করেছিল যে এত বড় সংখ্যক লোকের পরীক্ষা করার ক্ষমতা তাদের ছিল। তারা জানুয়ারী থেকেই তাদের পরীক্ষার ক্ষমতা বাড়ানো শুরু করেছিল। অন্যদিকে ইতালি গণ পরীক্ষায় দেরি করেছে, পৃথকীকরণে বিলম্ব করেছে এবং ভারী মূল্য দিচ্ছে তাই আমি আবার জিজ্ঞাসা করেছি “কোরিয়া কি করেছিল যা ভারত এর ও করা উচিত?”

কেউ কেউ যুক্তি দিচ্ছেন যে বিশাল জনসংখ্যার কারণে বর্তমানের প্রায় 300+ করোনা আক্রান্ত কেসগুলির সংখ্যা বড় নয়। তবে এখানে বক্তব্যটি রয়েছে- এই সংখ্যাটি ছোট হতে পারে কারণ আমরা জানি না আরও কতো লোক ইতিবাচক কারণ আমরা কেবল পর্যাপ্ত সংখ্যাক পরীক্ষা আমরা করছি না।

আপনি যদি ট্রাম্পের আমেরিকার দিকে লক্ষ্য করেন তবে প্রাথমিকভাবে ট্রাম্প লকডাউন,এবং পরীক্ষা করার বিষয়ে অস্বীকার করেছিলেন। ফলস্বরূপ মার্কিন সরকারের পরীক্ষার সংখ্যা ও খুব কম ছিল এবং এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে 123,781 এর বেশি কেস হয়েছে এবং 2,229জোন লোক মারা গেছে এবং এই সংখ্যাটি এই মুহুর্তে বিপুল পরিমানে বাড়ছে।
ভারতের করোনা পরীক্ষা-পদ্ধতি কতটা সঠিক?

ভারতে কারোনার জন্য 50 জনেরও কম মারা গিয়েছে এখনই আমাদের সিদ্ধান্ত নেয়ার সঠিক সময়। এই মুহূর্তে করোনা মহামারীটি ভারতে দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে যেখানে এটি অল্প সংখ্যায় ছড়িয়ে পড়েছে এবং আমি যখন এই ব্লগটি আপলোড করব তখন ইতিমধ্যে এটি 3 নং পর্যায়ে পৌঁছে যাবেlএটি তখন যখন বড় সংখ্যক লোকের বৃহত গোষ্ঠীকে প্রভাবিত করতে শুরু করবে।এই পর্যায়টিকে সম্প্রদায় সংক্রমণ হিসাবেও বর্ণনা করা যায়। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞরা আমাদের যা বলছেন তা হ’ল করোনা 3 নং পর্যায় পৌঁছবে এবং positive case এর সংখ্যা বিপূল হারে বৃদ্ধি পাবে।

সুতরাং যে প্রশ্নটি দাঁড়ায় তা হ’ল “ভারত সরকারের পরীক্ষার কৌশলটি কি সেই 3নং পর্যায়ের জন্য প্রস্তুত ???” mylab নামক একটি সংস্হা যে একটি করোনা ভাইরাস টেস্টিং কিট আবিষ্কার করেছে। যেখানে অনেক দেশ 1000 মানুষ এর পরীক্ষা করছিলো 1 দিন এ আর ভারত কিছু সংখ্যাক ই পরীক্ষা করতে পারছিলো কিন্তু এই mylab নামক সংস্হা Pathodetect নামক একটি টেস্টিং কিট আবিষ্কার করেছে।

যার সাহায্য 15,000 টেস্ট করা যাবে 1 দিনে এ ইটা ভারত এর কাছে একটি বড়ো সফলতা। অনেক বাইরের দেশ জানতে চাইছে এই টেস্টিং কিট এর বেপারে ও ICMR অনুমোদন দিয়েছে এই টেস্টিং কিটটিকে।খুবিই তারাতারি এ টার সাহায্য পুরো ইন্ডিয়া তে টেস্টিং শুরু হয়ে যাবে।তাহলে আমরা বলতে পারবো ভারত সরকার 3নং পর্যায়ের জন্য প্রস্তুত।

WHO বলেছে ইন্ডিয়া হলো একটি এমন দেশ যারা স্মলপক্স ও পোলিওর মতো ভাইরাস কে হারিয়েছে।ইন্ডিয়া হচ্ছে জনবহুল দেশ যাদের মধ্যে এই ভাইরাস এর সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা আছে।ভারত সরকার একটি game changing পদক্ষেপ নিয়েছে সেটি হলো 21DAY LOCK DOWN এটি একটি খুবি কার্যকরি পদক্ষেপ।যদি ভারত সরকার 21day LOCK DOWN কে যদি কঠোর ভাবে ধরে রাখতে পারে থাহলে ভারতে এই ভাইরাস এর দাড়া আক্রান্তের সংখ্যা কমবে।

পুরো পৃথিবে তে মোট : Coronavirus Cases : 678,910

Deaths : 31,771 Recovered : 146,319

আপনারা যে নিজেদেরকে ভারতীয় বলেন সেটা প্রমান করার এটাই সঠিক সময়।

Check Also

সাধারণ মানুষের রেশন নিয়ে ফের বড় খবর, রাজ্য সরকার আরও বাড়িয়ে দিলো সময়সীমা, রইলো বিস্তারিত!

আবারও কেন্দ্রকে ঝ-ট-কা দিল রাজ্য সরকার।নির্বাচনের আগেই রেশনের সময়সীমা বাড়িয়ে দিলো রাজ্যের শা-স-ক দল। শুধুমাত্র ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *