Breaking News
Home / VIRAL / ‘করোনা ভাইরাস… আসছে’, সাত বছর আগেই লিখেছিলেন এক ব্যক্তি!

‘করোনা ভাইরাস… আসছে’, সাত বছর আগেই লিখেছিলেন এক ব্যক্তি!

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চিনে কমলেও, ক্রমশ একাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস। ভারতেও আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ পেরিয়েছে। ইন্টারনেট জুড়ে সতর্কবার্তা ছড়ানো হচ্ছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠে এল একটা মজার জিনিস।

এক ব্যক্তি বছর সাতেক আগেই বলেছিলেন ‘করোনা আসছে।’ শুনতে আজব লাগলেও এটাই সত্যি। ট্যুইটটি করা হয়েছে ২০১৩ সালে। আর আজ ২০২০ সালে ছড়িয়ে পড়ছে সেই ভাইরাস। সত্যিই অবাক হয়ে যাচ্ছেন অনেকে। আচমকা ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সেই ট্যুইট।

Marco নামে এক ব্যক্তির ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে ট্যুইট করা হয়েছিল। তাতে লেখা ছিল Corona virus….its coming. কীভাবে তিনি এমন সম্ভাবনার কথা বললেন, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।

কেউ বলেছেন, ‘মার্কো আমরা কী সবাই মরে যাব?’ আবার কেউ বলেছেন, ‘আপনি কী ট্যুইটার হ্যাক করে তারিখটা বদলে দিয়েছেন?’ কোথা থেকে এমন আজব ট্যুইটের উদ্ভব হল, তা সত্যিই ভাবার বিষয়।

ভারতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা শুক্রবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১। নাগপুরে আরও দু’জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার কর্ণাটকে ৭৬ বছরের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। মোট সংখ্যা ৮১, এমনটাই জানিয়েছে ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

যে ৮১ জন আক্রান্ত হয়েছেন তাঁদের মধ্যে ৬৪ জন ভারতীয় এবং ১৬ জন ইতালিয়ান এবং একজন ক্যানাডিয়ান। কালাবুরগির যে ব্যাক্তির মৃত্যু হয়েছে তিনি কিছুদিন আগেই সৌদি আরব থেকে ফিরেছিলেন। ব্যক্তিকে পরীক্ষা করলে তাঁর শরীরে কোভিড ১৯ ভাইরাসটি ধরা পড়েছে এমনটাই জানিয়েছেন কর্ণাটকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। দিল্লিতে এখনও পর্যন্ত ছয়জনের মধ্যে করোনা ভাইরাস পসিটিভ প্রমানিত হয়েছে, পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশে এখনও অবধি ১০ জনের মধ্যে করোনা ভাইরাস পসিটিভ প্রমাণিত হয়েছে।

কর্ণাটকে মোট পাঁচজন, মহারাষ্ট্রে ১১ জন এবং লাদাখে ৩ জন, করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী রয়েছে। পাশাপাশি, রাজস্থান, তেলেঙ্গানা, তামিলনাডু, জম্মু ও কাশ্মীর, অন্ধ্রপ্রদেশ, পঞ্জাবে একজন করে আক্রান্ত হয়েছেন।

Check Also

স্বামীকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য স্ত্রী এমন পোশাক পরলেন, সাপ ভেবে স্ত্রীর পা ভেঙে দিলেন স্বামী!

বর্তমান যুগ হচ্ছে ফ্যাশনের যুগ। বর্তমান যুগের মানুষজনও সবার সাথে পাল্লা দেওয়ার জন্য হয়ে উঠছেন ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *