Breaking News
Home / NEWS / পৃথিবীর সবথেকে সুরক্ষিত ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাড়ির কিছু অজানা বিশেষত্ব!

পৃথিবীর সবথেকে সুরক্ষিত ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাড়ির কিছু অজানা বিশেষত্ব!

ভারত সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর নিরাপত্তার জন্য কোনো ত্রুটি রাখেনি ভারত সরকার। কিন্তু, অন্য দেশের সফরের সময়ে যা হয় এখানেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। নিজেদের প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নজর রাখবে হোয়াইট হাউস ও ইউনাইটেড স্টেটস সিক্রেট সার্ভিস (USSS)। সুদূর আমেরিকা তে বসেই নজরদারি করবে তারা। আর তাদের এই কাজে সাহায্য করবে ট্রাম্পের জন্য তৈরি করা একটি স্পেশাল কার, অত্যাধুনিক ক্যাডিলাক লিমুজিন ‘দ্য বিস্ট (The beast)’।

গাড়ির বডি তৈরি স্টিল, টাইটেনিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম ও সেরামিকস দিয়ে। বুলেট প্রুফ এই এই লিমুজিনটিকে সাঁজোয়া গাড়ি বললেও কম বলা হয়। পাঁচ ইঞ্চি মোটা ধাতুনির্মিত এই গাড়ির শরীরও প্রচণ্ড শক্ত। ২০১৮ সালে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য বিশেষভাবে নির্মিত এই গাড়ির জানালাতে কাচ ও পলিকার্বনেটর পাঁচটি স্তর রয়েছে।

গাড়ির কোনো জনালাই খোলা যায় না কেবল চালকের পাশের জানালাটি ছাড়া। তবে সেটিও কেবল ৩ ইঞ্চি নিচে নামানো যাবে তার বেশি নয়। বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ভেদ করে যাওয়া গুলিও ভাঙতে পারবে না এই জানলার কাঁচ।

এই গাড়ির উপর কেউ হামলা করলে সেটা আটকানোর ক্ষমতা এই গাড়ির রয়েছে। হামলা করলেও তা প্রতিহত করার জন্য গাড়ির মধ্যেই রয়েছে পাম্প অ্যাকশন শটগানস, নাইট ভিশন ক্যামেরা ও কাঁদান গ্যাসের গ্রেনেড লঞ্চার। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ও প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ব্লাড ব্যাগ ও অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা ও থাকছে। পেন্টাগনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের জন্য গাড়িতে রয়েছে স্যাটেলাইট ফোনও।

বিস্ফোরকরোধী ফোম দিয়ে তৈরি জ্বালানি ট্যাংকের জন্য বিস্ফোরণের সম্ভাবনাও নেই। স্টিল রিমের টায়ার থাকার জন্য তা ফেটে গেলেও চালকের গাড়ি চালাতে কোনও অসুবিধা হবে না। গাড়ির পুরো শরীরটা স্টিল দিয়ে তৈরি হওয়ার কারণে বোমা এবং মাইন বিস্ফোরণেও কোনও ক্ষতি হবে না।

অত্যাধুনিক সেন্সার লাগানো থাকার কারণে যে কোনও হামলার আগে গাড়ির চালকের কাছে সিগন্যাল পৌঁছে যাবে। এছাড়াও গাড়িতে উপস্থিত ওয়াচ টাওয়ারের অ্যান্টেনার মাধ্যমে রাস্তায় থাকা যেকোনও ডিভাইসকে জ্যাম করা যেতে পারে। এমনকি চালকবিহীন স্বয়ংক্রিয় গাড়িকে শনাক্ত করতে সক্ষম দ্যা বিস্ট।

এই গাড়ি সঙ্গে লাগানো আছে উলম্ব অ্যান্টেনা, যা খুব সহজেই যাতায়াতের রাস্তায় যে কোনও কমিউনিকেশনকে এবং একই সঙ্গে রি’মোট ডিটো’নে’টিং ডি’ভাইসকে জ্যাম করে দিতে সক্ষম। মানবহীন এয়ার ভেহিকলকেও শনাক্ত করতে সক্ষম এই গাড়ি।

ভারত সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর নিরাপত্তার জন্য কোনো ত্রুটি রাখেনি ভারত সরকার। কিন্তু, অন্য দেশের সফরের সময়ে যা হয় এখানেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। নিজেদের প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নজর রাখবে হোয়াইট হাউস ও ইউনাইটেড স্টেটস সিক্রেট সার্ভিস (USSS)। সুদূর আমেরিকা তে বসেই নজরদারি করবে তারা। আর তাদের এই কাজে সাহায্য করবে ট্রাম্পের জন্য তৈরি করা একটি স্পেশাল কার, অত্যাধুনিক ক্যাডিলাক লিমুজিন ‘দ্য বিস্ট (The beast)’।

গাড়ির বডি তৈরি স্টিল, টাইটেনিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম ও সেরামিকস দিয়ে। বুলেট প্রুফ এই এই লিমুজিনটিকে সাঁজোয়া গাড়ি বললেও কম বলা হয়। পাঁচ ইঞ্চি মোটা ধাতুনির্মিত এই গাড়ির শরীরও প্রচণ্ড শক্ত। ২০১৮ সালে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য বিশেষভাবে নির্মিত এই গাড়ির জানালাতে কাচ ও পলিকার্বনেটর পাঁচটি স্তর রয়েছে।

গাড়ির কোনো জনালাই খোলা যায় না কেবল চালকের পাশের জানালাটি ছাড়া। তবে সেটিও কেবল ৩ ইঞ্চি নিচে নামানো যাবে তার বেশি নয়। বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ভেদ করে যাওয়া গুলিও ভাঙতে পারবে না এই জানলার কাঁচ।

এই গাড়ির উপর কেউ হামলা করলে সেটা আটকানোর ক্ষমতা এই গাড়ির রয়েছে। হামলা করলেও তা প্রতিহত করার জন্য গাড়ির মধ্যেই রয়েছে পাম্প অ্যাকশন শটগানস, নাইট ভিশন ক্যামেরা ও কাঁদান গ্যাসের গ্রেনেড লঞ্চার। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ও প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ব্লাড ব্যাগ ও অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা ও থাকছে। পেন্টাগনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের জন্য গাড়িতে রয়েছে স্যাটেলাইট ফোনও।

বিস্ফোরকরোধী ফোম দিয়ে তৈরি জ্বালানি ট্যাংকের জন্য বিস্ফোরণের সম্ভাবনাও নেই। স্টিল রিমের টায়ার থাকার জন্য তা ফেটে গেলেও চালকের গাড়ি চালাতে কোনও অসুবিধা হবে না। গাড়ির পুরো শরীরটা স্টিল দিয়ে তৈরি হওয়ার কারণে বোমা এবং মাইন বিস্ফোরণেও কোনও ক্ষতি হবে না।

অত্যাধুনিক সেন্সার লাগানো থাকার কারণে যে কোনও হামলার আগে গাড়ির চালকের কাছে সিগন্যাল পৌঁছে যাবে। এছাড়াও গাড়িতে উপস্থিত ওয়াচ টাওয়ারের অ্যান্টেনার মাধ্যমে রাস্তায় থাকা যেকোনও ডিভাইসকে জ্যাম করা যেতে পারে। এমনকি চালকবিহীন স্বয়ংক্রিয় গাড়িকে শনাক্ত করতে সক্ষম দ্যা বিস্ট।

এই গাড়ি সঙ্গে লাগানো আছে উলম্ব অ্যান্টেনা, যা খুব সহজেই যাতায়াতের রাস্তায় যে কোনও কমিউনিকেশনকে এবং একই সঙ্গে রি’মোট ডিটো’নে’টিং ডি’ভাইসকে জ্যাম করে দিতে সক্ষম। মানবহীন এয়ার ভেহিকলকেও শনাক্ত করতে সক্ষম এই গাড়ি।

ভারত সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর নিরাপত্তার জন্য কোনো ত্রুটি রাখেনি ভারত সরকার। কিন্তু, অন্য দেশের সফরের সময়ে যা হয় এখানেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। নিজেদের প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নজর রাখবে হোয়াইট হাউস ও ইউনাইটেড স্টেটস সিক্রেট সার্ভিস (USSS)। সুদূর আমেরিকা তে বসেই নজরদারি করবে তারা। আর তাদের এই কাজে সাহায্য করবে ট্রাম্পের জন্য তৈরি করা একটি স্পেশাল কার, অত্যাধুনিক ক্যাডিলাক লিমুজিন ‘দ্য বিস্ট (The beast)’।

গাড়ির বডি তৈরি স্টিল, টাইটেনিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম ও সেরামিকস দিয়ে। বুলেট প্রুফ এই এই লিমুজিনটিকে সাঁজোয়া গাড়ি বললেও কম বলা হয়। পাঁচ ইঞ্চি মোটা ধাতুনির্মিত এই গাড়ির শরীরও প্রচণ্ড শক্ত। ২০১৮ সালে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য বিশেষভাবে নির্মিত এই গাড়ির জানালাতে কাচ ও পলিকার্বনেটর পাঁচটি স্তর রয়েছে।

গাড়ির কোনো জনালাই খোলা যায় না কেবল চালকের পাশের জানালাটি ছাড়া। তবে সেটিও কেবল ৩ ইঞ্চি নিচে নামানো যাবে তার বেশি নয়। বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ভেদ করে যাওয়া গুলিও ভাঙতে পারবে না এই জানলার কাঁচ।

এই গাড়ির উপর কেউ হামলা করলে সেটা আটকানোর ক্ষমতা এই গাড়ির রয়েছে। হামলা করলেও তা প্রতিহত করার জন্য গাড়ির মধ্যেই রয়েছে পাম্প অ্যাকশন শটগানস, নাইট ভিশন ক্যামেরা ও কাঁদান গ্যাসের গ্রেনেড লঞ্চার। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ও প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ব্লাড ব্যাগ ও অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা ও থাকছে। পেন্টাগনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের জন্য গাড়িতে রয়েছে স্যাটেলাইট ফোনও।

বিস্ফোরকরোধী ফোম দিয়ে তৈরি জ্বালানি ট্যাংকের জন্য বিস্ফোরণের সম্ভাবনাও নেই। স্টিল রিমের টায়ার থাকার জন্য তা ফেটে গেলেও চালকের গাড়ি চালাতে কোনও অসুবিধা হবে না। গাড়ির পুরো শরীরটা স্টিল দিয়ে তৈরি হওয়ার কারণে বোমা এবং মাইন বিস্ফোরণেও কোনও ক্ষতি হবে না।

অত্যাধুনিক সেন্সার লাগানো থাকার কারণে যে কোনও হামলার আগে গাড়ির চালকের কাছে সিগন্যাল পৌঁছে যাবে। এছাড়াও গাড়িতে উপস্থিত ওয়াচ টাওয়ারের অ্যান্টেনার মাধ্যমে রাস্তায় থাকা যেকোনও ডিভাইসকে জ্যাম করা যেতে পারে। এমনকি চালকবিহীন স্বয়ংক্রিয় গাড়িকে শনাক্ত করতে সক্ষম দ্যা বিস্ট।

এই গাড়ি সঙ্গে লাগানো আছে উলম্ব অ্যান্টেনা, যা খুব সহজেই যাতায়াতের রাস্তায় যে কোনও কমিউনিকেশনকে এবং একই সঙ্গে রি’মোট ডিটো’নে’টিং ডি’ভাইসকে জ্যাম করে দিতে সক্ষম। মানবহীন এয়ার ভেহিকলকেও শনাক্ত করতে সক্ষম এই গাড়ি।


প্রেসিডেন্টের কনভ’য়ে আরও অনেকগুলো গাড়ি থাকে। যার একটিতে থাকে প্রেসিডেন্টের চিকি’তৎসক, ক্যাবিনেট মেম্বার। এছাড়া প্রেসিডেন্টের গাড়ির ঠিক পিছনে থাকে হাফব্যাক, যাতে থাকেন সিক্রেট সার্ভিসের লোকজন।

এই গাড়ির চালক ও যে কেউ হতে পারবে না। মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের বিশেষ প্রশিক্ষিত ব্যক্তিকে বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত গাড়ির চালক বানানো হয়েছে। যেকোনো সময়ে যেকোনো পরিস্থিতিতেই ট্রাম্পের সুরক্ষার্থেই তৈরি হয়েছে দ্যা বিস্ট। রাষ্ট্রপতিকে সুরক্ষিত স্থানে পৌঁছে দেওয়াই তাঁর প্রধান কাজ। ১৮০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে গাড়ি ঘুরিয়ে চালাতে পারেন দ্যা বিস্ট এর চালক। গাড়ির চালক ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে একটি কাচের দেওয়াল আছে। সুইচের সাহায্যে তা ব্যবহার করা যায়।

প্রেসিডেন্টের কনভ’য়ে আরও অনেকগুলো গাড়ি থাকে। যার একটিতে থাকে প্রেসিডেন্টের চিকি’তৎসক, ক্যাবিনেট মেম্বার। এছাড়া প্রেসিডেন্টের গাড়ির ঠিক পিছনে থাকে হাফব্যাক, যাতে থাকেন সিক্রেট সার্ভিসের লোকজন।

Check Also

১ দিনের শিশুকন্যাকে ফেলে গেল বাবা-মা, কান্না শুনে আগলে রাখল রাস্তার কুকুর

একবিংশ শতাব্দিতে দাঁড়িয়েও কন্যা সন্তানের প্রতি অনীহার ছবিটা যেন বদলাচ্ছে না। চতুর্থীর সন্ধে, দুর্গাপুজোর শেষ ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *