Breaking News
Home / NEWS / আরও ভয়ঙ্কর হচ্ছে পরিস্থিতি, চিনের জেলের মধ্যেও মারণ ভাইরাসের থাবা

আরও ভয়ঙ্কর হচ্ছে পরিস্থিতি, চিনের জেলের মধ্যেও মারণ ভাইরাসের থাবা

গত কয়েকদিন ধরে কিছুটা হলেও চিনে কমতে শুরু হয়েছিল করোনাভাইরাসের প্রকোপ। যা স্বস্তি এনেছিল সে দেশের আধিকারিকদের। কিন্তু নতুন করে ফের একবার চিন্তার ভাজ পড়েছে লালচিনের প্রশাসনিক আধিকারিক থেকে শুরু করে চিকিৎসকদের কপালে। নতুন করে চিনে বেড়ে গিয়েছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগীর সংখ্যা। সব মিলয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৪৭ জনে। প্রাণঘাতী এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে চিনের দুটি জেলখানাতেও। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারায় চাকরি গিয়েছে জেল আধিকারিকদের।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানাচ্ছে, গত বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মত চিনে এক দিনে দুই হাজারের বেশি মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যান। যা যথেষ্ট স্বস্তি এনে দিয়েছিল চিকিৎসকদের। তবে রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন ধরে নিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া কয়েক জনের মধ্যে নতুন করে ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ায় সতর্ক করেছেন এক চিনা বিশেষজ্ঞ।

এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন কোরোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দেড়শ ছাড়িয়ে যাওয়ায় দুটি শহরকে ‘স্পেশাল কেয়ার জোন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে সে দেশের সরকার। চিনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৮৮৯ জনের শরীরে নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। আগের দিন এই সংখ্যা ছিল ৩৯৪ জন। সব মিলিয়ে চিনে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৫ হাজার ৪৬৫ জনে। আর অন্তত ২৬টি দেশে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা ৭৬ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে।

চিনে মোট ১১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে নতুন এই করোনাভাইরাসে, এর মধ্যে হুবেই প্রদেশেই মারা গিয়েছেন ১১৫ জন। তাতে চিনের মূল ভূখণ্ডে নতুন করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ২২৩৬ জনে। চিনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে এখনও পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে এই ভাইরাসে। তাদের মধ্যে জাপানে তিনজন, হংকং ও ইরানে দুজন করে এবং ফিলিপিন্স, ফ্রান্স, তাইওয়ান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় একজন করে আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে।

মধ্য চিনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়। নিউমোনিয়ার মত লক্ষণ নিয়ে নতুন এই রোগ ছড়াতে দেখে চিনের কর্তৃপক্ষ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে সতর্ক করে। এরপর ১১ জানুয়ারি প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ঠিক কীভাবে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়েছিল- সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নন বিশেষজ্ঞরা। তবে ধারণা করা হচ্ছে, উহানের একটি সি ফুড মার্কেটে কোনও প্রাণী থেকে এ ভাইরাস প্রথম মানুষের দেহে আসে। তারপর মানুষ থেকে ছড়াতে থাকে মানুষে। সার্স ও মার্স পরিবারের সদস্য নতুন এ করোনাভাইরাসের নাম দেওয়া হয়েছে নভেল করোনাভাইরাস। আর এর সংক্রমণে ফ্লুর মত উপসর্গ নিয়ে যে রোগ হচ্ছে, তাকে বলা হচ্ছে কভিড-১৯।

Check Also

ক/রো/না/র মুখে খাওয়ার ওষুধ আনছে ফাইজার

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এবার মুখে খাওয়ার উপযোগী ওষুধও আনছে মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল কম্পানি ফাইজার । চলতি বছরের ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *