Breaking News
Home / HEALTH / এন্টিবায়োটিকের আরেক নাম তুলসীপাতা!

এন্টিবায়োটিকের আরেক নাম তুলসীপাতা!

তুলসী আদিকাল থেকেই ঘরোয়া চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আয়ুর্বেদের কথায়, কিছুটা তুচ্ছ এ তুলসী পাতা প্রকৃতির সেরা অ্যান্টিবায়োটিক। বিশেষজ্ঞদের মতে, খালি পেটে দুই থেকে তিনটি তাজা তুলসী পাতা দিয়ে দিন শুরু করা উচিত। এতে করে শরীর অনেক রোগের সঙ্গে মোকাবেলা করার শক্তি পায়। এবার তবে জেনে নিন তুলসীর বিভিন্ন উপকারিতা। স্বাস্থ্য বার্তা

টাটকা তুলসী পাতা একটি অ্যাডাপ্টোজেন বা অ্যান্টি-স্ট্রেস এজেন্ট হিসেবে বিবেচিত। প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খাওয়া প্রয়োজন। এতে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং স্ট্রেস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও তুলসী পাতা রক্তকে বিশুদ্ধ করে।

ডিহাইড্রেশন কমাতে তুলসীর পানীয় পান করতে পারেন। কয়েকটি তাজা তুলসী পাতা, আজওয়াইন, জিরা, আমের গুঁড়া, লবণ এবং পুদিনা পাতা একসঙ্গে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এবার এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এলে পান করুন।

যারা ডেঙ্গু এবং ম্যালেরিয়ায় ভুগছেন, বিশেষজ্ঞদের মতে তুলসীর রস তাদের পানির মতো পান করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে তাজা তুলসী পাতা, আদা, কালো গোলমরিচ, দারুচিনি এবং এলাচের একসঙ্গে ফুটিয়ে নিন। দিনে ২ থেকে ৩ বার এই পানীয় পান করুন।

তুলসীর রস, মধু এবং হলুদ একসঙ্গে মিশিয়ে পানীয় তৈরি করে নিন। দিনে একবার এটি পান করুন। এই মিশ্রণটি পিত্তর প্রবাহকে উদ্দীপিত করে হজমে সহায়তা করে। এছাড়াও এটিতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। যা আপনাকে কাশি এবং সর্দি থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করবে।

তুলসী পাতা, গুঁড়, পানি এবং লেবুর রস একসঙ্গে জ্বাল করে চা তৈরি করে নিন। এই ক্যাফেইনন মুক্ত চা হজমের জন্য খুবই কার্যকরী। এছাড়াও এই চায়ে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য। যা আপনাকে মৌসুমী জ্বর এবং ফ্লু থেকে সুরক্ষিত রাখে।

যারা দীর্ঘদিন মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য তুলসী পাতা সেরা দাওয়াই। এজন্য কিছুটা চন্দন কাঠের গুঁড়ার সঙ্গে তুলসী পাতা বেটে মিশিয়ে নিন। এবার এই প্রলেপটি কপালে মেখে রাখুন।

রাতকানা রোগ বা চোখের নানা চিকিৎসায় তুলসীর রস ব্যবহার হয়ে আসছে। এছাড়াও ভিটামিন এ এর অভাবজনিত কারণে চোখের সমস্যা হলে তা থেকে মুক্তি দিবে তুলসী পাতার রস। প্রতিদিন ঘুমের সময় চোখের মধ্যে এক ফোঁটা কালো তুলসী পাতার রস দিয়ে রাখুন। এভাবে কয়েকদিন করলেই চোখের সমস্যা সমাধান হবে।

Check Also

হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারে আরও সতর্ক হতে হবে

করোনা মহামারীর শুরুর পর থেকে হাতের জীবাণু ধ্বংস করতে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার অনেকাংশে বেড়ে গেছে। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *