Breaking News
Home / WORLD / বিশ্বের সবচেয়ে কৃপণ ব্যক্তি! যার কৃপণের কাহিনী শুনলে হাঁসতে হাঁসতে গড়াগড়ি খাবেন…

বিশ্বের সবচেয়ে কৃপণ ব্যক্তি! যার কৃপণের কাহিনী শুনলে হাঁসতে হাঁসতে গড়াগড়ি খাবেন…

বিশ্বের সবচেয়ে কৃপণ ব্যক্তি একজন নারী! তিনি একজন আমেরিকান। তার নাম হেট্টি গ্রিন। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরের এ বাসিন্দা।আমাদের একসাথে সবার সাথেই মিলেমিশে চলতে হয়। আমাদের আত্বীয় স্বজনদের সাথে,বন্ধু-বান্ধবদের সাথে। আমাদের প্রতিদেনের জীবনে যাদের সাথে সব সময় চলতে হয় তারা প্রত্যেকেই একেক জন একেক ধরণের। কেউ বোকা,কেউ চালাক,কেউ উদার,কেউ হিসেবী,কেউ কৃপণ আবার কেউ কেউ অত্যাধিক কৃপন। আর কৃপণাতার দিক থেকে বরাবরই নারীরা পুরুষদের থেকে এগিয়ে।

বিশ্বের সবচেয়ে কৃপণ ব্যক্তি একজন নারী! তিনি একজন আমেরিকান। তার নাম হেট্টি গ্রিন। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরের এ বাসিন্দা। বিপুল সম্পদশালী হয়েও সর্বকালের সেরা কৃপণ হিসেবে খ্যাতি আছে এ ব্যবসায়ী নারীর। তিনি এতোটাই কৃপণ ছিলেন যে শীতের সময় গরম পানি পর্যন্ত ব্যবহার করতেন না। খেতেন মাত্র ১৫ সেন্ট ব্যয় করে এক ধরনের ঠাণ্ডা পুডিং। একেবারে জরাজীর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি তার একমাত্র কালো পোশাকটি কখনও পরিবর্তন করতেন না। পানি খরচ হবে বলে হাত ধুতেন কম, গাড়িও চড়তেন একটি অতি পুরনো।

এমনও শোনা গেছে যে সাবান খরচ বাঁচানোর জন্য তার পোশাক যখন অতিরিক্ত ময়লা হয়ে যেত তখন শুধু ময়লা অংশটুকু ধুয়ে নিতেন। এই নারী পেশায় ছিলেন একজন সফল রিয়েল স্টেট ব্যবসায়ী। ১৮৩৫ সালে জন্ম নেওয়া এই নারী ব্যবসায়ী ১৯১৬ সালে মৃত্যুর সময় ব্যাংকে ৯৫ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ বর্তমান হিসাবে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা রেখে যান।

সে সময়ের অন্যতম ধনী হেট্টি গ্রিনের পারিবারিক একটি ঘটনা আরও অবাক করার মতো। এক দুর্ঘটনায় তার ছেলের পা ভেঙে যায়।কিন্তু তাকে দ্রত সময়ে চিকিৎসা না দিয়ে দাতব্য চিকিৎসালয় সন্ধানে এতো বেশি সময় ব্যয় করেন যে পা নষ্ট হয়ে অকেজো হয়ে যায়! তাহলে এবার ভেবে নিন কেমন কৃপণ নারী ছিলেন তিনি!

হোটেলে বিছানার চাদর সাদা হয় কেন জানেন? হোটেলের রুম বা ঘরগুলো স্বাভাবিক ভাবেই খুবই জীবাণুযুক্ত হয়ে থাকে। হোটেল রুমের হেয়ার ড্রাইয়ার কোনো ভাবেই ব্যবহার করা উচিত নয়। এমনকি যে কেটলিতে করে আপনাকে চা বা কফি দেওয়া হয় সেটাও ব্যবহার না করা শ্রেয়।তবে হোটেল রুমের যে ব্যাপারে আপনি সব থেকে নিশ্চিত থাকতে পারেন তা হল, বিছানার চাদর। সাদা রঙের বিছানার চাদর।

হোটেলে সাদা রঙের বিছানার চাদর ব্যবহার হওয়ার কারণ হচ্ছে, দেখা মাত্রই সাদা রঙ মানুষের মনে শুভ্রতা এবং পরিচ্ছন্নতার কথা ভাবায়। সাদা কাপড় থেকে সহজে দাগ উঠতে চায় না। তাই আপনি যখন দেখবেন আপনার হোটেল রুমের বিছানার চাদরটি ধবধবে সাদা তখন স্বাভাবিক ভাবেই ভাববেন যে, সেটি সদ্য পরিষ্কার করা এবং এখনো ব্যবহার করা হয়নি। সাদা রঙ বিলাসীতার ছাপও বটে, তাই হোটেল কম বিলাসী হলেও বিছানায় সাদা চাদর ব্যবহার করতে দেখা যায়।

ওয়েস্টিন এবং শেরাটন হোটেলের ভাইস প্রেসিডেন্ট অব ডিজাইন, এরিন হুভার হাফিংটন পোস্টকে বলেন, ‘দৃষ্টিগত ভাবে সাদা চাদরের ধারণাটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সাদা বিছানার চাদর বিলাসীতা এবং রাতের ভালো ঘুমের ইঙ্গিত করে।’ হোটেলে বিছানার চাদর ছাড়াও টাওয়েল এবং বাথরোবেও সাদা রঙের প্রাধান্য দেখা যায়। এর একটি বাস্তব উদ্দেশ্যে রয়েছে- বিছানার চাদর, তোয়ালে, বাথরোব অর্থাৎ সব কাপড় একসঙ্গে পরিষ্কার করা সম্ভব হয় কম সময়ে।

Check Also

এশিয়ার যে দেশে বিয়ে করলেই নবদম্পতি পাবে ৪ লাখ ৮২ হাজার টাকা!

বিয়ে করলেই নবদম্পতি সরকারের কাছ থেকে আর্থিক পুরস্কার পাবেন! পুরস্কারের মূল্যও কম নয়, বাংলাদেশি মুদ্রায় ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *