Breaking News
Home / VIRAL / নদী থেকে উদ্ধার করে নিজের বাচ্চার প্রাণ বাঁচিয়ে প্রশংসা কুড়ালো হাতি

নদী থেকে উদ্ধার করে নিজের বাচ্চার প্রাণ বাঁচিয়ে প্রশংসা কুড়ালো হাতি

বিশ্বে অকৃত্রিম ভালোবাসা যদি কেউ দিয়ে থাকেন তাহলে তিনি অবশ্যই ‘মা’। আর এই ভালোবাসা মানুষের ক্ষেত্রে হোক অথবা প্রাণীদের ক্ষেত্রে, সবার ক্ষেত্রেই সমান। তাই তো মানুষের মতো বারংবার তারাও তাদের মাতৃত্বের, তাদের ভালোবাসার প্রমাণ দিয়ে যায়। দুদিন আগেই আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও দেখেছিলাম যেখানে দেখা গিয়েছিল বর্ষার জলে যখন ইঁদুরের একটি বাসা ডুবে যাচ্ছে তখন ওই ইঁদুরটি নিজের প্রাণ ঝুঁকির মধ্যে রেখেও ওই গর্ত বা বাসা থেকে একের পর এক বাচ্চাদের উদ্ধার করছেন।

ঠিক তেমনই আরও একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যে ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি বাচ্চা হাতি নদীর জলে পড়ে গিয়েছে। আর তাকে উদ্ধার করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা দুই প্রাপ্তবয়স্ক হাতির। আর ওই দুই প্রাপ্তবয়স্ক হাতির একটি ওই বাচ্চা হাতির মা বলেই জানা গিয়েছে।

সম্প্রতি হাতির বাচ্চা উদ্ধারের যে ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সেটি উদালগুরি জেলার বলে জানা গিয়েছে। ওই জেলার ২০ কিলোমিটার দূরে উত্তরে ভুটান বর্ডারের কাছে এমন ঘটনাটি ঘটেছে। পাহাড়ি এলাকায় একটি খরস্রোতা নদীতে ওই বাচ্চা হাতিটি পড়ে যাওয়ার পর দুই পূর্ণবয়স্ক হাতির প্রচেষ্টায় অবশেষে ডাঙায় উঠে আসে বাচ্চা হাতিটি।

এই উদ্ধারের সময় পূর্ণবয়স্ক দুই হাতির বুদ্ধি দেখে তারিফ করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ার নেটিজেনরা। পাশাপাশি তারা এমন উদ্ধারকার্যের জন্য ওই দুই হাতিকে কুর্নিশ জানিয়েছেন। তারা সঠিক সময়ে এমনটা করতে না পারলে হয়তো প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হতো না বাচ্চা ওই হাতিটির।


সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিওটি পোস্ট করেছেন আইএফএস ফরেস্ট অফিসার সুশান্ত নন্দা। ভিডিওটি পোস্ট করার পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, “হাতিদের মধ্যে পারিবারিক বন্ধন খুব তীব্র। তাই নদীতে ভেসে যাওয়া ছোট্ট হাতি কে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে তার মা ও কাকি।” আর এই ভিডিওটি প্রথম সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন বিকাশ নামে এক ব্যক্তি। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়ার সাথে সাথে ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়ে পড়ে।

Check Also

এক’ফোটা দুধ পেতে মৃ’ত মায়ের পা’শে অবুঝ শিশুর আর্তনাদ

মাকে ডাকছে অবুঝ শিশু। কিন্তু সন্তানের ডাকে সাড়া নেই মায়ের। মা যখন সাড়া দিচ্ছে না ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *