Breaking News
Home / VIRAL / ইন্টারনেটে ভাইরাল ছবি, সদ্যোজাত শিশুটি জন্মগ্রহণের সাথে সাথেই কেমন মাতৃস্নেহে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে!

ইন্টারনেটে ভাইরাল ছবি, সদ্যোজাত শিশুটি জন্মগ্রহণের সাথে সাথেই কেমন মাতৃস্নেহে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে!

পৃথিবীর প্রত্যেকটি মেয়েই মা হাবার স্বপ্ন দেখে, বাকি সবার মতো ছেলে মেয়েদের ভালোবাসা উপভোগ করতে চায়,১০ মাস ১০ দিন গর্ভে ধারণ করে সন্তান এর জন্ম দেন , অনেক ব্যথা যন্ত্রণা সহ্য করতে হয় মেয়েদের সন্তান জন্ম দেওয়ার সময়। এটা মানা হয় যে, যখন একজন মহিলা তার সন্তানের জন্ম দেয় তখন তার দ্বিতীয় জন্ম হয় এবং কঠোর যন্ত্রণা ভোগ করার পর যখন তার বাচ্চা তার কোলে আসে,

তখন সে তার সমস্ত ব্যথা ভুলে যায়। এটা সত্যিই যে একটি শিশুকে, যখন তার জন্মের পর তার মায়ের কাছে রাখা হয়, তখন সে তার মায়ের কাছে ভালোবাসার বন্ধনে আটকে যায় এবং তাকে ছেড়ে যায় না। ঠিক এরম একটি শিশু জন্মের পর তার মাকে প্রথম দেখেই নিজের করে নিয়েছে।

জন্ম গ্রহণ এর পর যখন শিশু টিকে তার মায়ের কাছে দেওয়া হয় তখন ওই সদ্য জাতো জন্ম গ্রহণ করা বাচ্চা টি কিছুতেই তার মাকে ছাড়তে চায় ছিল না, নিচে ভিডিও দেওয়া হয়েছে ভিডিও টি দেখে হয়তো আপনি ও বলবেন এটা কলিযুগের বাচ্চা,সব কিছু আগে থেকেই তার মধ্যে রয়েছে কোনটি তার মা কোনটি তার বাবা কারা তার আপন জন ইত্যাদি।

যখন এক গর্ভবতী মহিলা তার গর্ভের শিশুকে প্রথম দেখেন, তখন সে সন্তানের অলঙ্ঘনীয় সম্পর্ক হয়ে যায়। যখন একজন মা তার সন্তান এর জন্ম দেয় তখন ডাক্তার তার মাকে আনন্দ দেওয়ার জন্য শিশু টিকে তার মায়ের হাতে তুলে দেয়।এবংএই শিশু টিও ঠিক তখন থেকেই মায়ের ভালোবাসা পেতে থাকে, ডাক্তার মতে মায়ের বুকেতে দুধ ইচ্ছে শিশুদের জন্য সঠিক খাদ্য নিয়মিত ৬ মাস বয়স পর্যন্ত।

এর ফলে শিশুদের বুদ্ধি, ক্ষমতার বিকাশ ঘটে এছাড়াও রাসায়নিক হরমোন অক্সিটোসিন রয়েছে মায়ের বুকের দুধে প্রযোজ্য, বেশ কিছু দিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিওর মারাত্মক ভাবে ভাইরাল হয়ে ওঠে, যা অনেক লোকের ওই শিশু টিকে কোলি যুগের দান বলেও দাবি করেন সেই ভিডিও দেখে, ওই ভিডিও টে যখন বাচ্চাটি জন্ম নেয় এবং তাকে তার মায়ের সাথে দেখা কারানো হয় তখন কার কিছু মুহূর্ত রয়েছে।

Check Also

এক’ফোটা দুধ পেতে মৃ’ত মায়ের পা’শে অবুঝ শিশুর আর্তনাদ

মাকে ডাকছে অবুঝ শিশু। কিন্তু সন্তানের ডাকে সাড়া নেই মায়ের। মা যখন সাড়া দিচ্ছে না ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *