Breaking News
Home / NEWS / সু’শান্তের মৃ’ত্যু’তে ভেঙে পড়েছেন অ’ঙ্কিতা! অভিনেত্রীর শেষ পোস্ট ভাইরাল

সু’শান্তের মৃ’ত্যু’তে ভেঙে পড়েছেন অ’ঙ্কিতা! অভিনেত্রীর শেষ পোস্ট ভাইরাল

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর খুব স্বাভাবিক ভাবেই উঠে আসছে তাঁর প্রাক্তন বান্ধবী অঙ্কিতা লোখান্ডের কথা। বলিউডে কেরিয়ার শুরুর পর দীর্ঘদিন অঙ্কিতার সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন সুশান্ত।

টানা ৬ বছর তাঁরা একসঙ্গে ছিলেন, তাঁদের বিয়েরও ঠিক হয়ে গিয়েছিল। যদিও অঙ্কিতা-সুশান্তের বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছেও বহুদিন হল। রবিবার প্রাক্তন প্রেমিকের মৃত্যুর খবরে তাঁর মানসিক অবস্থা ঠিক কেমন? এই প্রশ্ন চলে আসছেই।

এ প্রসঙ্গে সুশান্তের ‘পবিত্র রিস্তা’ ধারাবাহিকের সহ অভিনেতা পরাগ ত্যাগী মুখ খুলেছেন। পরাগের কথায়, ”আমি অঙ্কিতার সঙ্গে কথা বলেছি। সুশান্তের মৃত্যুর খবর শোনার পর থেকেই ও ভেঙে পড়েছে।

ও এটা বিশ্বাস করতেই পারছে না।” পাশাপাশি ‘পবিত্র রিস্তা’ ধারাবাহিকে সুশান্তের মায়ের চরিত্রে যিনি অভিনয় করেছিলেন, সেই ঊষা নাদকার্নিও খবর পাওয়ার পর থেকে কেঁদেই চলেছেন বলে জানান পরাগ।

এদিকে সুশান্তের মৃত্যুর কিছু ঘণ্টা আগে অঙ্কিতা তাঁর ইনস্টাগ্রামে একটি স্টোরি শেয়ার করেছিলেন। যেটি সুশান্তের মৃত্যুর পর ভাইরাল হয়ে যায়। যদিও পরে সেটা ডিলিট করে দেন অঙ্কিতা। তাঁর সেই পোস্টের বাংলা তর্জমা করলে খানিকটা এই রকম দাঁড়ায়।, ”ঈশ্বর সেই মানুষ তোমর জীবন থেকে সরিয়ে নেন। কারণ, ঈশ্বর সেই কথোপকথন শুনতে পান, যা হয়ত তুমি শুনতে পাওনি।” অঙ্কিতা কেন এই পোস্ট করেছিলেন, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়।

প্রসঙ্গত, জানা যাচ্ছে, সুশান্তের মৃত্যুর কয়েকদিন আগেই নাকি অঙ্কিতা বাগদান সেরে ফেলেছিলেন ব্যবসায়ী ভিকি জৈনের সঙ্গে। যদিও এবিষয়ে অঙ্কিতা নিজে মুখ খোলেননি। তবে তাঁর হাতের আংটি দেখেই সেবিষয়টি অনেকটাই স্পষ্ট হয়েছিল।

আরও একটি সুত্র বলছে, লকডাউনের মধ্যে নাকি অঙ্কিতাকে একবার ফোনও করেছিলেন সুশান্ত। এদিকে অভিনেতার মৃত্যুর পর অঙ্কিতাকে একটি সংবাদমাধ্যমের তরফে ফোন করা হলে, তিনি শুধু ‘কী’ বলে চমকে উঠেন এবং ফোন কেটে দেন। তারপর থেকে অঙ্কিতার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Check Also

হাওড়া স্টে’শনে এই ভুল’টি করলে’ই এবার মোটা টাকার জরিমানা, পড়ুন বিস্তারিত

স্টেশনে কিংবা ট্রেনের বগির ভিতরে বিজ্ঞাপন দিয়েও কোনো কাজের কাজ হচ্ছে না, জোরদার চলছে মাইকে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *