Breaking News
Home / LIFESTYLE / দু-মিনিট সময় নিয়ে পড়ুন গল্পটা নইলে অনেক কিছু মিস করে যাবেন

দু-মিনিট সময় নিয়ে পড়ুন গল্পটা নইলে অনেক কিছু মিস করে যাবেন

সারাদিনেতো অনেক সময়ই আমরা অপচয় করি অনেক বাজে কাজ করে। আজ না হয় পাঁচটা মিনিট সময় ধৈর্য ধরে এই গল্পটা পড়ুন। আর জীবনের অতি মূল্যবান একটি শিক্ষা লাভ করুন এর থেকেই।

বাইরে সেদিন ঝিমঝিম করে বৃষ্টি পড়ছে। বেশ আড্ডার মেজাজ ক্লাসরুম চত্ত্বর ঘিড়ে। প্রত্যেকদিনের মত আজও সাইকোলজি টিচার ক্লাসে এলেন, ক্লাস নিতে। কিন্তু আজ একটা ক্লাসরুমের আবহাওয়াটা অন্যরকম দেখে পড়াশুনা আজ বিশেষ কিছু করাবেন না বলেই ঠিক করলেন তিনি। আর পরখ করে দেখেও নিলেন আজ ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিশেষভাবে আগ্রহ নেই পড়াশুনা করার। তাই তিনি ঠিক করলেন বেশ মজার কিছু দেখানোর।

ক্লাসে সেইসময় উপস্থিত ছিলেন একজন সদ্য বিবাহিতা ছাত্রী। তাকে তিনি ব্লাকবোর্ডের সামনে ডাকলেন। আর বললেন “আজ তোমাদের একটা খুব নতুন এবং মজার একটা জিনিস শেখাবো”। এমনটা বলে তিনি ছাত্রীর হাতে চক ডাস্টার তুলে দিয়ে বললেন ” মা তুমি তোমার প্রিয় দশজন মানুষের নাম লেখো”। যথারীতি মেয়েটি তাই করলো।

তারপর শিক্ষকটি তাকে বললেন । এরা কারা এদের পরিচয় ডান পাশে লেখো। মেয়েটি এদের পরিচয়ও লিখলো খুব সাবলীল ভাবে। সংসারের সবার নামের পাশে দু একজন বন্ধু এবং প্রতিবেশীর নাম ও আছে। এবার শিক্ষক বললেন লিষ্ট থেকে পাঁচ জনের নাম মুছে দাও। মেয়েটা তার প্রতিবেশী এবং তার ক্লাসমেটদের নাম মুছে দিলো ডাস্টার দিয়ে।

এবার শিক্ষক একটু মুচকি হাঁসি দিয়ে বললেন আরোও তিনজনের নাম মুছে দাও। মেয়েটা এবার একটু চিন্তায় পড়লেন।ক্লাসের অন্য ছাত্র ছাত্রীরাও এবার ব্যাপারটিতে আলোকপাত করতে শুরু করলো। সবাই খুব মনোযোগ দিয়ে দেখছে মেয়েটার সাইকোলজি কিভাবে কাজ করছে। মেয়েটার হাত কাঁপছে সে ধীরে ধীরে তার বেস্ট ফ্রেন্ডের নাম মুছলো এবং বাবা আর মায়ের নাম ও মুছে দিলো।

এখন মেয়েটা রীতিমত কাঁদছে। যে মজা দিয়ে ক্লাসটা শুরু হয়েছিল সে মজা আর নেই। ক্লাসের অন্যদের মাঝে ও টানটান উত্তেজনা। লিষ্টে বাকি আছে আর দুই জন মেয়েটার হাজব্যান্ড আর সন্তান। শিক্ষক এবার বললেন আরোও একজনের নাম মুছো, কিন্তু মেয়েটা ঠায় দাড়িয়ে রইলো, কারও নাম আর মুছতে পারছে না। শিক্ষক বললেন মাগো এটা একটা খেলা, সাইকোলজিক্যাল খেলা। জাষ্ট প্রিয় মানুষের নাম মুছে দিতে বলছি, মেরে ফেলতে তো বলিনি। এবার মেয়েটা কাঁপা কাঁপা হাত নিয়ে ছেলের নামটা মুছে দিলো।

শিক্ষক এবার মেয়েটার কাছে গেলেন এবং পকেট থেকে একটা গিফট বের করে বললেন -তোমার মনের উপর দিয়ে যে ঝড়টা গেলো তার জন্য আমি দুঃখিত। আর এই গিফট বক্সে দশটা গিফট আছে তোমার প্রিয়জনদের জন্য। এবার বলো কেন তুমি নামগুলো মুছলে ????

মেয়েটা বললো প্রথমে বন্ধু আর প্রতি বেশীদের নাম মুছে দিলাম – কারণ তবুও আমার কাছে বেস্ট ফ্রেন্ড আর পরিবারের সবাই রইলো। পরে যখন আরোও তিনজনের নাম মুছতে বললেন তখন বেস্ট ফ্রেন্ড আর বাবা মায়ের নাম মুছে দিলাম।

কারণ ভাবলাম বাবা মা তো আর চীরদিন থাকবেন না, আমার কাছে আমার পুত্র আর তা বাবা -ই বেস্ট ফ্রেন্ড কিন্তু সবার শেষে যখন এই দুজন থেকে যখন একজনের নাম মুছে দিতে বললেন তখন আর সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না।
পরে ভেবে দেখলাম বড় হয়ে একদিন ছেলে হয়তো আমাকে ছেড়ে চলে ও যেতে পারে। কিন্তু ছেলের বাবা তো কোনও দিন আমাকে ছেড়ে যাবে না।

Check Also

ত্বকের ক্ষত সরিয়ে উজ্বলতা বাড়াবে কলাপাতা, জেনেনিন কিভাবে

গাছ নানাভাবে মানুষের উপকার করে। ফল, ফুল, কাঠ, অক্সিজেন ওছায়া- এ সবকিছুই আমরা গাছ থেকে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *