Breaking News
Home / HEALTH / এক কোয়া রসুনে মেলে ৮ রোগের মুক্তি

এক কোয়া রসুনে মেলে ৮ রোগের মুক্তি

রান্নাবান্নার জন্য রসুন একটি প্রয়োজনীয় উপকরণ। খাবার রান্নার জন্যই সাধারণত রসুনের ব্যবহার বেশি হয়ে থাকে। তবে অনেকেই আমরা জানি না, রসুনের গুণাগুণ সম্পর্কে। সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেলে অনেক রোগ সারতে পারে।

সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। তবে সত্যিই কি তাই? এত মসলা থাকতে খালি পেটে রসুন খাওয়া কী আসলেই উপকারী।

এ বিষয়ে ব্যাখ্যা করলেন পুষ্টিবিদ অন্তরা মজুমদার। তিনি বলেন, রসুন খাওয়ার এই প্রচলিত ধারণা মিথ্যা নয় মোটেও। এটি সত্যি খুব উপকারী। প্রাকৃতিকভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ এ রসুন অনেক উপকারী।

অনেক সময় পেট খালি থাকার পর এটি খেলে এর রস সহজে শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে পারে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মেটাবলিক রেটও একটু বেশি থাকে। তাই খালি পেটে এ মসলা খেলে উপকার পাওয়া যাবে। আসুন জেনে নেই সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেলে যেসব উপকার পাওয়া যাবে-

১. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ রসুন রক্তকে পরিশুদ্ধ রাখে। রক্তে উপস্থিত শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণেও করে রসুন।

২. সকালে খালি পেটে রসুনের কোয়া খেলে সারা রাত ধরে চলা বিপাকক্রিয়ার কাজ উন্নত হয়। এ ছাড়া শরীরের দূষিত টক্সিনও মূত্রের মাধ্যমে বেরিয়ে যেতে পারে।

৩. শীতে ঠান্ডা লাগলে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেলে উপকার পাওয়া যাবে। দুই সপ্তাহ সকালে রসুন খেলে ঠান্ডা লাগার প্রবণতা অনেকটা কমে।

৪. হার্টের রোগীদের ক্ষেত্রে রসুন বিশেষ কার্যকর। হৃদস্পন্দনের হার নিয়ন্ত্রণ করতে ও হৃদপেশির দেয়ালে চাপ কমাতে সাহায্য করে।

৫. রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে রসুন। কমায় রক্তনালির ওপর রক্তের চাপও। তাই উচ্চ রক্তচাপের অসুখে ভুগছেন এমন রোগীর ডায়েটে রাখতে পারেন রসুন।

৬. যকৃত ও মূত্রাশয়কে নিজের কাজ করতে সাহায্য করে রসুন। এ ছাড়া পেটের নানা সমস্যাও হজমের সমস্যা মেটাতেও রসুন ভালো কাজ করে।

৭. ভাইরাস ও সংক্রমণজনিত অসুখ যেমন- ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, হুপিং কাফ ইত্যাদি প্রতিরোধে করে।
৮. স্নায়বিক চাপ কমিয়ে মানসিক চাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম রসুন।

Check Also

দাঁড়িয়ে খাবার খেলে হতে পারে যেসব ক্ষতি…

কাজের চাপ ও হাতে সময় কম থাকার কারণে অনেক সময় আমরা খাবার খেতে তাড়াহুড়ো করি। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *