Breaking News
Home / INSPIRATION / কন্যাসন্তান হলে তার ক্লিনিকে সব খরচ ফ্রি,উল্টো মিষ্টি বিতরণ করেন এই গাইনি ডাক্তার

কন্যাসন্তান হলে তার ক্লিনিকে সব খরচ ফ্রি,উল্টো মিষ্টি বিতরণ করেন এই গাইনি ডাক্তার

তিনি একজন লোকসেবী গাইনি ডাক্তার। পাল্টে দিয়েছেন সমাজে চলতি সকল ধারণা। তার হাতে কোন কন্যা সন্তান হলে তিনি আনন্দে আত্মহারা হন। সবাইকে মিষ্টি মুখ করান। কোন চিকিৎসা ফি নেন না। তখন তার নিজস্ব ক্লিনিকে সব চিকিৎসা ফ্রি।এমনটি তিনি কেন করেন। কারণ, মানুষ জন্ম হিসেবে পৃথিবীতে কন্যাদের সমান অধিকার।এটা বলা বাহুল্য, কন্যা সন্তানকে আমরা কোন চোখে দেখি। নানান সরকারি কার্যক্রম, স্কুলের পড়াশোনা ও সামাজিক আলোচনার মধ্যেও

আমাদের দেশে ছেলে-মেয়েদের মধ্যে পার্থক্য করে বেশিরভাগ মানুষ। প্রতিদিনই মেয়েদের উপর নানান অকথ্য নির্যাতনের খবর চোখে আসে। তার মধ্যে গর্ভস্থ শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ করে মেয়ে শিশুর গর্ভবস্থাতেই হত্যা করা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এই মৃত ভ্রুণ উদ্ধার হতে দেখা যায় বিভিন্ন যায়গায়। অনেক পরিবারের সদস্যরা মেয়ে সন্তান হলে খুব কষ্ট পেয়ে থাকে। এমনকি মেয়ের জন্ম হলে ভবিষতের কথা ভেবে কাঁদতে শুরু করেন অনেকেই।

এত কিছুর পরও আমাদের চারপাশে এমন কিছু মানুষ আছে যারা মেয়েদের জন্য দুহাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। যাতে তারা সমাজের বুকে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারে। মেয়ে সন্তান জন্ম হওয়া সবচেয়ে বড় উপহার হিসাবেই মনে করে থাকেন তারা। এমনই একজন মহান নারী ডা. শিপ্রা ধর। তার নিজস্ব ক্লিনিকে মেয়ে বাচ্চার জন্ম হলেই সবকিছু সম্পূর্ণ ফ্রি। এমনকি অপরেশনের জন্যেও কোন টাকা নেন না তিনি। উপরন্ত মেয়ের জন্ম হলে নার্সিংহোমে উপস্থিত সকলের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেন ডাক্তার শিপ্রা ধর।

ডাক্তার শিপ্রা ধর বারানসিতে একটি নার্সিংহোম চালান। তিনি তাঁর নার্সিংহোমে এই পর্যন্ত ১০০ জন মেয়ে সন্তানের সফল ডেলিভারি করিয়েছেন।যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বারানসিতে আসেন, তখন শিপ্রা ধরের কাহিনী শুনে বেশ প্রভাবিত হন। মোদির সঙ্গে শিপ্রা ধর দেখাও করেন। প্রধানমন্ত্রী সেই মঞ্চ থেকেই দেশের সমস্ত ডাক্তারের কাছে আবেদন করেন, মাসের ৯ তারিখে সন্তান জন্ম নিলে আপনারা কোন ফি যেন না নেন।

শিপ্রা ধরের নিজস্ব নার্সিংহোমে মহিলা সন্তান হলে যেমন ছাড় আছে, ঠিক তার পরবর্তী দিনগুলো যেন সুখের হয়, তার জন্যও মহিলারদেরকে যেসব সুবিধা সরকার দিয়ে থাকে তা পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। শিপ্রা ধরের স্বামী মনোজ কুমার শ্রীবাস্তব একজন ডাক্তার। তিনিও উৎসাহ দেন স্ত্রীর এই সামাজিক কাজে।

Check Also

বিবাহবার্ষিকীতে স্বামীকে কিডনি উপহার দিলেন স্ত্রী

একেই বলে হয়তো ভালোবাসার উপহার ৷ ফুলের তোড়া নয়, নয় ক্যান্ডেল লাইটল ডিনার ৷ দামি ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *