Breaking News
Home / NEWS / ট্রায়ালে ব্যর্থ করোনার প্রতিষেধক রেমডেসিভির! তথ্য় দিয়েও মুছে ফেলল WHO!

ট্রায়ালে ব্যর্থ করোনার প্রতিষেধক রেমডেসিভির! তথ্য় দিয়েও মুছে ফেলল WHO!

করোনা সংক্রমণ রুখতে হলে চাই প্রতিষেধক। হন্যে হয়ে দিনরাত এক করে বিজ্ঞানীরা তাই গবেষণা চালাচ্ছেন ভ্যাকসিনের খোঁজে। কিন্তু মিলছে কোথায়! এরই মধ্যে ব্যর্থ হয় করোনা প্রতিষেধকের প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল! প্রাথমিকভাবে এমনটাই জানিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-ও। সংস্থার ওয়েবসাইটে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ব্যর্থতার কথা লিখে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। কিন্তু পরক্ষণেই সেই ওয়েবসাইট থেকে মুছে ফেলা হয় প্রতিবেদনটি। তারপরই করোনা নিয়ে গবেষণা করা রেমডেসিভির ওষুধটির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

রেমডেসিভির নির্মাতা সংস্থা গিলিড সায়েন্সের এ বিষয়ে জানায়, কীভাবে হু-এর ওয়েবসাইট থেকে মুছে ফেলে তথ্যের ভিত্তিতে কিছু বলা যেতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুছে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রেমডেসিভিরের ট্রায়াল মোট ১৫৮ জনের উপর করা হয়েছিল। একটি ভাগে ১৫৮ জনের উপর রেমডেসিভির প্রয়োগ করা হয়, অপর ভাগে ৭৯ জনকে স্বাভাবিক চিকিৎসার মধ্যে রাখা হয়। ১৮ জনের শরীরে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কথা ভেবে তাড়াতাড়ি বন্ধ করে দেওয়া হয় ট্রায়াল। একমাস পরে রেমডেসিভির নেওয়া প্রায় ১৪ শতাংশ রোগী মারা যান। কিন্তু স্বাভাবিক চিকিৎসাযুক্ত প্রায় ১৩ শতাংশ রোগীও মারা যায়। এখান থেকে বলা হয় রেমডেসিভির ব্যর্থ। কিন্তু পরক্ষণেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তথ্য মুছে দিয়ে জানায় প্রকাশিত তথ্যে গলদ ছিল।

রেমডেসিভির নির্মাতাদের অবশ্য দাবি, ট্রায়ালের ঠিক তথ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওই প্রতিবেদনে ছিল না। গবেষণার ফল চূড়ান্ত নয় তবুও রেমডেসিভির প্রয়োগে সম্ভাব্য সুফল আশা করা যাচ্ছে। নোভেল করোনাভাইরাসের চিকিৎসার জন্য প্রথম থেকেই আশার আলো দেখিয়ে আসছে এই রেমডেসিভির। লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের অধ্যাপক স্টিভেন ইভানস জানিয়েছেন, খুব কম সংখ্যক লোকের মধ্যে এই ট্রায়াল হয়েছিল। এখান থেকে সিদ্ধান্তে আসা মুশকিল। তবে যদি অসুস্থতার শুরুতে ড্রাগ ব্যবহার করা যায় তাহলে কার্যকরী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

আগের সপ্তাহে মার্কিন জাতীয় স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান জানিয়েছিল বাঁদরের উপর এই ড্রাগ প্রয়োগে সুফল মিলেছে। রেমডেসিভির আগে এবোলা ট্রায়ালে ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছিল। রেমডেসিভির মূলত ভাইরাসকে প্রতিলিপি গঠন করতে বাধা দেয়। এখন মূলত হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ও করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তির প্লাজমা দিয়েই চিকিৎসা চলছে সারা বিশ্বে। কবে যে এই মারণ ভাইরাসের প্রতিষেধক মিলবে সেই দিকটাই পাখির চোখ বিশ্বের সমস্ত গবেষকদের। আর বিজ্ঞানী গবেষকদের দিকে তাকিয়ে আশায় বুক বাঁধছেন বিশ্ববাসী।

Check Also

হাওড়া স্টে’শনে এই ভুল’টি করলে’ই এবার মোটা টাকার জরিমানা, পড়ুন বিস্তারিত

স্টেশনে কিংবা ট্রেনের বগির ভিতরে বিজ্ঞাপন দিয়েও কোনো কাজের কাজ হচ্ছে না, জোরদার চলছে মাইকে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *