Breaking News
Home / NEWS / বিদ্যুৎ-ব্যাটারি ছাড়াই চলবে ভেন্টিলেটর, বাঁচবে করোনা রোগীদের প্রাণ!

বিদ্যুৎ-ব্যাটারি ছাড়াই চলবে ভেন্টিলেটর, বাঁচবে করোনা রোগীদের প্রাণ!

মহামারি করোনা সংকটে বিশ্ব। প্রতিদিন হু হু করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। হাসপাতালগুলিতে জরুরি ভেন্টিলেটর সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তবে এবার করোনা রোগীদের জন্য সুখবর নিয়ে এলো মার্কিন কম্পানি জেরক্স। তারা বিদ্যুৎ ছাড়াই চলবে, ব্যাটারিও লাগবে না, দ্রুত অক্সিজেন পৌঁছে দেবে রোগীর শরীরে এমন পোর্টেবল ভেন্টিলেটর বানাচ্ছে। ভোরটান মেডিক্যাল ফার্মের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই ভেন্টিলেটর ‘গো-২-ভেন্ট’ বিপুল পরিমাণে তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেরক্স।

মেকানিক্যাল ভেন্টিলেটরের অভাব রয়েছে বিশ্বজুড়েই। ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় পোর্টেবল ভেন্টিলেটরও হাতে গোনা। সহজে ব্যবহার করা যাবে এমন পোর্টেবল ভেন্টিলেটর তৈরি শুরু করেছে বিশ্বের নানা টেকনিক্যাল ফার্ম। সেই কাজে এবার এগিয়ে এলো জেরক্স। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইসোলেশন ওয়ার্ডগুলিতে যখন বহু রোগীর ভিড় থাকবে তখন সহজেই এই পোর্টেবল ভেন্টিলেটর ব্যবহার করা যাবে, তবে ‘গো-২-ভেন্ট’ ডিসপোজেবল। একবার ব্যবহারের পরে বাতিল করতে হবে।

জেরক্সের চিফ টেকনোলজি অফিসার নরেশ শঙ্কর বলেছেন, ‘ভেন্টিলেটরের ঘাটতি রয়েছে বিশ্বজুড়েই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাসপাতাল-নার্সিংহোমগুলিতে আর কয়েকদিন বাদেই ভেন্টিলেটর ফুরিয়ে যাবে। অনেক দেশেরই এক অবস্থা। তাই এমন পোর্টেবল ভেন্টিলেটর বিপুল হারে উৎপাদন করা হচ্ছে।’

ক্যালিফোর্নিয়ার প্রযুক্তি সংস্থা ভোরটান মেডিক্যালের ইঞ্জিনিয়াররা জানিয়েছেন, ম্যানুয়ালি অপারেট করতে হবে না এই ভেন্টিলেটর। এতে রয়েছে কম্প্রেসর যা অক্সিজেন বা বাতাসের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখবে। প্রতি মিনিটে ৮-১০ লিটার অক্সিজেন পাম্প করতে পারবে। শ্বাসের গতি হবে প্রতি মিনিটে ৮-১০ বিপিএম। এই ভেন্টিলেটর চালাতে বিদ্যুৎ বা ব্যাটারির দরকার পড়বে না। করোনা রোগীদের চিকিৎসায় আইসোলেশন ওয়ার্ডের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তাতে সব জায়গায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব নয়। বিশেষত খোলা জায়গায় যেখানে আইসোলেশন বেড বানিয়ে রোগীদের রাখা হচ্ছে, সেইসব জায়গাতে এই ধরনের ভেন্টিলেটর খুবই কাজে আসবে।

জেরক্সের চিফ টেকনিক্যাল অফিসার নরেশ জানিয়েছেন, ভাইরাসের সংক্রমণ যদি মৃদু হয় বা চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন এমন রোগীদের ক্ষেত্রে এই ভেন্টিলেটর বেশি উপযোগী। দ্রুত শ্বাসকষ্ট কমিয়ে আরাম দিতে পারবে রোগীদের। আইসলেশনগুলিতে ভেন্টিলেটরের সংখ্যা হাতে গোনা। অথচ সংক্রামিত রোগীদের ঠাসাঠাসি ভিড়। সেক্ষেত্রে বেশি সঙ্কটাপন্ন রোগীদের জন্য মেকানিক্যাল ভেন্টিলেটরের সাপোর্ট রেখে, বাকিদের ‘গো-২-ভেন্ট’ ডিসপোজেবল ভেন্টিলেটর দেওয়া যেতে পারে।

ভোরটান মেডিক্যালের সিইও জর্ডন এ ওং বলেছেন, ‘জেরক্সের সঙ্গে পার্টনারশিপে দেড় লাখ থেকে দুই লাখ এমন ডিসপোজেবল ভেন্টিলেটর বানানো হচ্ছে। আগামী মাসের মধ্যেই ১০ লাখ ভেন্টিলেটর বানিয়ে ফেলব আমরা। তারপর এই ভেন্টিলেটর পৌঁছে দেওয়া হবে দেশে দেশে।’

সূত্র- ভোর্টরান মেডিকেল, দ্য ওয়াল।

Check Also

SBI গ্রাহকদের জন্য দারুণ সুখবর, বাড়িতে গিয়ে টাকা দিয়ে আসবে ব্যাংক

এমনিতেই করোনা আতঙ্কে ভুগছে দেশ থেকে রাজ্যবাসী। বারবার চিকিৎসকরা বলছেন সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে গেলে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *