Breaking News
Home / NEWS / ছোট্ট ভারতীয় ভেন্টিলেটর করোনা‌ রোগীদের প্রাণ বাঁচাচ্ছে, দাম‌ও কম

ছোট্ট ভারতীয় ভেন্টিলেটর করোনা‌ রোগীদের প্রাণ বাঁচাচ্ছে, দাম‌ও কম

করোনা রোগীদের জটিল অবস্থার চিকিৎসায় ভেন্টিলেটর অপরিহার্য। প্রতিটি আইসিইউ শয্যার পাশে একটি করে ভেন্টিলেটর প্রয়োজন হয়। করোনা রোগীর সংখ্যা হু হু করে বাড়তে থাকায় এই মূহুর্তে বিশ্বজুড়ে ভেন্টিলেটর সংকট দেখা দিয়েছে। একই অবস্থা ভারতেরও, সেখানেও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। বাড়ছে ভেন্টিলেটরের চাহিদা। এরই মধ্যে এলো সুখবর।

ভারতের দরিদ্র মানুষদের সহায়তার জন্য ছোট্ট টোস্টার আকারে ভেন্টিলেটর তৈরি করেছেন একজন রোবট বিজ্ঞানী ও নিউরোসার্জন। টোস্টার আকারের এই ভেন্টিলেটর করোনভাইরাস মহামারিটির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যাপক ভুমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। করোনার বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে এই ভেন্টিলেটরের চাহিদাও বাড়ছে।

ভাইরাসটি সবচেয়ে মারাত্মকভাবে ফুসফুসে আক্রমণ করে এবং রোগীর শ্বাসকষ্টের সমস্যা তৈরি করে। এসময় ভেন্টিলেটরের সাহয্যে বায়ু পামম্প করে রোগীকে বাঁচিয়ে রাখতে হয়। এ জন্য বিশ্বজুড়ে হাসপাতালগুলিতে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ভেন্টিলেটরের চাহিদা বাড়ছে।

ভারতে করোনা রোগীর বৃদ্ধি পর চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে এই ক্ষুদ্রাকৃতি ভেন্টিলেটরের। এই ধরনের পোর্টেবল ভেন্টিলেটর আগে যেখানে চাহিদা ছিল প্রতিমাসে ৫০০টি, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০,০০০। যদিও চাহিদার সঙ্গে এই জাতীয় ভেন্টিলেটরের দামও বর্তমানে খানিক বেড়েছে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসামহলের একাংশ।

রোবট বিজ্ঞানী দিবাকর বৈশের সাথে এই ডিভাইসটির সহ-আবিষ্কারক নিউরোসার্জন দীপক অগ্রওয়াল বলেছেন, ‘আমাদের এর চেয়ে বড় কিছু আবিষ্কার করার উপায় ছিল না।’

রাজধানী নয়াদিল্লির নিকটবর্তী অ্যাগ্রা প্ল্যান্টকে যখন মহামারিটি পুরোপুরি মোকাবেলা করতে হবে তখন যেসব সরঞ্জাম প্রয়োজন সেগুলি তৈরির অনুমতি দেওয়া দেওয়া হয়েছে।

নির্মাতারা বলছেন যে, এই ভেন্টিলেটরটির ওজন মাত্র ৩ দশমিক ৩ কেজি। এটা কম জটিল রোগীদের তাদের বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করবে। মেশিনটি পরিবহন ও ইনস্টল করা সহজ, এবং স্বল্প শক্তি প্রয়োজন।

প্রচলিত ভেন্টিলেটরের চেয়ে এই ভেন্টিলেটরগুলি দামেও সস্তা। সাধারণত একটা ভেন্টিলেটরের দাম ১০ হাজার ডলার। সেখানে ভারতের তৈরি এই ন্যানো ভেন্টিলেটর মাত্র ২ হাজার ডলারে পাওয়া যাবে।

দিবাকর বৈশ বলেন, আপনি যদি কোনও হোটেলকে আইসিইউতে রূপান্তর করতে চান তবে আপনি কেবল এই ডিভাইসটি রাখতে পারেন এবং এটি অন্যান্য অবকাঠামোর কোন প্রয়োজন হয় না বলে সজেই কাজ শুরু করতে পারেন।

বেশিরভাগ দেশের মতো ১৩০ কোটি মানুষের দেশ ভারতেও হাসপালের শয্যা ও ভেন্টিলেটর সংকট রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৫৬৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭২ জনের।

সূত্র-জাপান টাইমস।

Check Also

হাওড়া স্টে’শনে এই ভুল’টি করলে’ই এবার মোটা টাকার জরিমানা, পড়ুন বিস্তারিত

স্টেশনে কিংবা ট্রেনের বগির ভিতরে বিজ্ঞাপন দিয়েও কোনো কাজের কাজ হচ্ছে না, জোরদার চলছে মাইকে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *