Breaking News
Home / NEWS / আপনার জেলার কোন কোন হাসপাতালে করোনার চিকিত্‍সা হচ্ছে, তালিকা দেখে নিন।

আপনার জেলার কোন কোন হাসপাতালে করোনার চিকিত্‍সা হচ্ছে, তালিকা দেখে নিন।

লকডাউনেও ভারতে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। একের পর এক করোনা আক্রান্তের খবর আসছে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করোনা মোকাবিলায় স্বাস্থ্য পরিকাঠামো খতিয়ে দেখছেন বারবার। সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে যাতে দ্রুত করোনা মোকাবিলার জন্য পরিকাঠামো ব্যবস্থা করা যায় সেইদিকে নজর রাখছেন।

করোনা মোকাবিলায় কলকাতা সহ হাওড়া,হুগলি,দক্ষিন চব্বিশ পরগনা,উত্তর চব্বিশ পরগনা,আলিপুরদুয়ার,বাঁকুড়া, বীরভূম,পুরুলিয়া কোচবিহার,দক্ষিন দিনাজপুর, মালদা মূর্শিদাবাদ,নদিয়া,পশ্চিম বর্ধমান,পূর্ব বর্ধমান,ও মেদিনীপুরে মোট ১৩২৭টি শয্যা বিশিষ্ট আইসোলেশন ওয়ার্ড রাখা হয়েছে। রাখা হয়েছে ভেন্টিলেশন শয্যার ব্যবস্থা। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী গতকালই ২২ টি জেলায় ২২টি হাসপাতাল তৈরীর নির্দেশ দেন যাতে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা দেওয়া যায়। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরে সমস্ত জেলা প্রশাসন,ও মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারকদের কাছে এই মর্মে নির্দেশ পাঠানো হয়।

করোনা আক্রান্তদের পরীক্ষা কোথায় হচ্ছে?
পশ্চিমবঙ্গে করোনা সংক্রমনের পরীক্ষা করা হচ্ছে কলকাতার বেলেঘাটা আইডি অন্তর্ভুক্ত নাইসেড, এসএসকেএম হাসপাতালে। এছাড়াও পরীক্ষা হচ্ছে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও নর্থ বেঙ্গল মেডিকেল কলেজে। বেসরকারী হাসপাতাল বলতে অ্যাপোলো গ্লেনিগেলস হাসপাতালে করোনা সংক্রমনের পরীক্ষা করা হচ্ছে।

জেলাভিত্তিক সরকারি আইসোলেশন ওয়ার্ড
কলকাতা :- কলকাতায় সরকারি হাসপাতালের ভিত্তিতে মোট আইসোলেশন শয্যা হলো ২৪১ টি। যাদের মধ্যে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে রয়েছে ৩৫ টি, নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে ১৮ টি, ক্যালকাটা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে রয়েছে ২ টি, মেডিকেল কলেজে রয়েছে ২৪ টি, আরজিকরে রয়েছে ১২ টি, এমআর বাঙ্গুরে ১৫০টি।

হাওড়া :– হাওড়ায় সরকারি হাসপাতালে মোট আইসোলেশন শয্যা সংখ্যা হলো ১৮ টি। যার মধ্যে হাওড়া ডিস্ট্রিক্ট হাসপাতালে রয়েছে ৪টি, উলুবেরিয়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে রয়েছে ৪টি, সত্যবালা দেবী আইডি হাসপাতালে ১০টি।

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা :- দক্ষিণ ২৪ পরগনার সরকারি হাসপাতালে মোট আইসোলেশন বেডের সংখ্যা হল ৩১। যাদের মধ্যে বারুইপুর এসডিএইচতে ৪টি, সোনারপুর আর এইচতে ১৭টি, বিজয়গড় এসজিএইচ তে ২টি, বিদ্যাসাগর এসজিএইচতে ৮টি।

উত্তর ২৪ পরগনা :-উত্তর ২৪ পরগনার সরকারি হাসপাতালে মোট আইসোলেশন বেডের সংখ্যা হলো ৩২ টি। বসিরহাট ডিস্ট্রিক্ট হাসপাতাল ছাড়াও জেলার মোট ১২ টি হাসপাতালেই আইসোলেশন শয্যাগুলি রয়েছে।

আলিপুরদুয়ার :- আলিপুরদুয়ারে মোট আইসোলেশন বেডের সংখ্যা হল ৪০। যার মধ্যে আলিপুরদুয়ার ডিস্ট্রিক্ট হাসপাতালে রয়েছে ১০টি ও বাকি ৩০ টি রয়েছে ফালাকাটা এসএসএইচ হাসপাতালে।

বাঁকুড়া :- বাঁকুড়ায় মোট আইসোলেশন বেডের সংখ্যা হল ২০ টি। যার মধ্যে বাঁকুড়া সম্মেলনী এনসিএইচ হাসপাতালে রয়েছে ১৫ টি ও বাকি ৫ টি রয়েছে বিষ্ণুপুর ডিস্ট্রিক্ট হাসপাতালে।

বীরভূম :- বীরভূমে মোট আইসোলেশন বেডের সংখ্যা হল ৪২ টি। যার মধ্যে সিউড়ি সদর হাসপাতালে রয়েছে ২৪ টি, বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে রয়েছে ১০ টি, রামপুরহাট মেডিকেল কলেজের রয়েছে ৮ টি। এছাড়াও আরও ১৫০ টি আইসোলেশন বেডের বন্দোবস্ত শুরু হয়ে গেছে প্রশাসনিক তৎপরতায়।

পুরুলিয়া :- পুরুলিয়া দুটি হাসপাতালে রয়েছে আটটি আইসোলেশন ৮ টি বেড।

কোচবিহার :- কোচবিহার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতলে ৮ টি আইসোলেশন বেড রয়েছে।

দক্ষিণ দিনাজপুর :- দক্ষিণ দিনাজপুরে মোট আইসোলেশন বেডের সংখ্যা হল ৫৯। যার মধ্যে বালুরঘাট ডিএইচতে রয়েছে ২৫ টি ও গঙ্গারাম এসডি হাসপাতালে রয়েছে ৩৪ টি।

মালদা :- মালদায় মোট আইসোলেশন বেডের সংখ্যা ৫০ টি। যেগুলি প্রত্যেকটি রয়েছে মালদা মেডিকেল কলেজে।

মুর্শিদাবাদ :- মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজজে আইসোলেশন বেডের সংখ্যা ১০ টি।

নদিয়া :- নদীয়া জেলায় মোট আইসোলেশন বেডের সংখ্যা হল ৪৯। যার মধ্যে নদীয়া জেলা হাসপাতালে রয়েছে ১২ টি, রানাঘাট এসডি এইচে রয়েছে ১৮ টি আর বাকিগুলি রয়েছে জেলার অন্যান্য সরকারি হাসপাতালগুলিতে।

বর্ধমান :- পশ্চিম বর্ধমানের মোট আইসোলেশন বেডের সংখ্যা ৩০। ২৪ টি রয়েছে আসানসোল জেলা হাসপাতালে। আর বাকিগুলি রয়েছে দুর্গাপুর জেলা হাসপাতালে।

পূর্ব বর্ধমানে ৮৪ টি আইসোলেশন বেড রয়েছে। যেগুলি রয়েছে বর্ধমান মেডিকেল কলেজে ৪০ টি, কাটোয়া এসডিএইচে ২০ টি ও কালনা এইচডিএইচে ২৪ টি।

মেদিনীপুর :- মেদিনীপুরের মেডিকেল কলেজে আইসোলেশন বেড রয়েছে ১০ টি, পাশাপাশি পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রতিটি সরকারি হাসপাতাল মিলে রয়েছে ৬৫ টি আইসোলেশন বেড। নন্দীগ্রাম এসডিএইচে আইসোলেশন বেড রয়েছে ৪০ টি, কাঁথি ও দীঘা সরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন বেড রয়েছে ৮ টি। মোটের উপর গোটা রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ১৩২৭ টি আইসোলেশন বেড রয়েছে।

বেসরকারি আইসোলেশন ওয়ার্ড
সল্টলেকের আইএলএস হাসপাতালে ৫ শয্যা বিশিষ্ট আইসোলেশন ওয়ার্ড রয়েছে। এখানে ভেন্টিলিটার যুক্ত ঘর ও শয্যা রয়েছে ৪ টি। দমদমের আইএলএস হাসপাতালে ৭ শয্যা বিশিষ্ট আইসোলেশন ওয়ার্ড রয়েছে। ভেন্টিলেটর যুক্ত ওয়ার্ডে শয্যা সংখ্যা ৯ টি। হাওড়ার আইএলএস হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে ৪ টি। ভেন্টিলেটর যুক্ত আইসোলেশন শয্যা রয়েছে ৭ টি। অ্যাপোলো গ্লেনিগেলস হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে ১৪ টি, বিশেষ পরিষেবা যুক্ত আইসোলেশনের শয্যা রয়েছে ৮ টি।

ফর্টিশ হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে ২৭ টি। আর এন টেগর ইনস্টিটিউট অফ কার্ডিয়াক সায়েন্সে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে ৫ টি। মেডিকা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে ১২ টি। ভেন্টিলেশন যুক্ত আইসোলেশন শয্যা রয়েছে ৭ টি।আমরি হাসপাতালের ঢাকুরিয়া, মুকুন্দপুর, সল্টলেক প্রতিটি শাখা মিলিয়ে মোট আইসোলেশন শয্যার সংখ্যা ১৬ শয্যা। ভেন্টিলেশন আইসোলেশন শয্যার সংখ্যা ৪টি। পিয়ারলেস হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে ৮ টি। ভেন্টিলেশন আইসোলেশন শয্যা রয়েছে ২ টি। রুবি জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে ২ টি।

Check Also

হাওড়া স্টে’শনে এই ভুল’টি করলে’ই এবার মোটা টাকার জরিমানা, পড়ুন বিস্তারিত

স্টেশনে কিংবা ট্রেনের বগির ভিতরে বিজ্ঞাপন দিয়েও কোনো কাজের কাজ হচ্ছে না, জোরদার চলছে মাইকে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *