Breaking News
Home / NEWS / ‘প্রোডিউসারদের একটু বলিস…’ শেষ জীবনে ফোন করে কাজ চাইতেন তাপস পাল

‘প্রোডিউসারদের একটু বলিস…’ শেষ জীবনে ফোন করে কাজ চাইতেন তাপস পাল

বাংলা চলচ্চিত্র জগতে বড় ইন্দ্রপতন। মঙ্গলবার ভোর রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মুম্বইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। তার পর থেকেই চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। বাংলা ছবির জগতে তাঁর অবদান মাপা যায় না। দাদার কীর্তি, গুরুদক্ষিণা, ও সাহেব ছবির জন্য বাঙালির মনে চিরকালের জন্য জায়গায় করে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ বয়সে যেমন শরীর ভালো ছিল না, তেমনই মানসিক শান্তিও ছিল না। এমনকী, শেষের দিকে ফের অভিনয়ে ফিরতে চেয়ে কাজ খুঁজছিলেন তাপস পাল। জানিয়েছেন পরিচালক অরিন্দম শীল ও অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী হালদার।

অরিন্দম শীল অভিনেতার মৃ্ত্যুতে শোক প্রকাশ করে বলেছেন, খুব বড় অভিনেতা ছিলেন। উত্তম কুমারের পরে তারকা হিসেবে তাঁকে ধরা যায়। কিন্তু মাস দুয়েক আগে কাজের খোঁজ করে ফোন করেছিলেন। আমি অবাক হয়েছিলাম যে তাপস পালের মতো অভিনেতা আমায় ফোন করে কাজ চাইছেন!

অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী হালদারকেও কাজের খোঁজ করতে বলেছিলেন তাপস পাল। অভিনেত্রী বলছেন, তাপসদার মতো অভিনেতা চলে যাওয়া বড় ক্ষতি। তিনি একজন ভালো মানুষও ছিলেন। আমাকে বলেছিলেন আবার কাজে ফিরতে চাই। কোনও প্রযোজকের সঙ্গে কথা বলে দেখিস কোনও কাজ আছে কি না। আমি বলেছিলাম, আরে তুমি তাপস পাল। তোমার মতো অভিনেতা দরকার। নন্দিনীদিও ফোন করে বলেছিলেন, দেখ তোর দাদাকে একটু ব্যস্ত করা যায় কি না।

প্রসঙ্গত, অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও জায়গা করেছিলেন তিনি। বাংলার রাজনীতিতে দু’বারের বিধায়ক, দু’বারের সাংসদ তিনি। আর কোনও বাঙালি অভিনেতা এতটা সাফল্য এখনও দেখাতে পারেননি নির্বাচনী রাজনীতিতে। কিন্তু তার পর ‘ট্র্যাজেজি নায়ক’ হয়েই থাকলেন তিনি৷

একের পর এক বিতর্কে ক্রমশ ‘খলনায়ক’ হয়ে উঠছিলেন তাপস পাল। প্রচণ্ড মানসিক পীড়াতেই হোক বা শারীরিক কারণে, শেষ দিকটায় অসুস্থও ছিলেন খুবই। ভুবনেশ্বরে দীর্ঘ বন্দিদশা থেকেই সম্ভবত তাঁর মানসিক ও শারীরিক সমস্যা শুরু হয়। স্নায়ুর সমস্যা বেড়েছিল বন্দি থাকাকালীন। জামিন পাওয়ার পরে ঈশ্বরের নাম নিয়ে তাপস পালের আকুল কান্নার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল গোটা বাংলায়।

Check Also

SBI গ্রাহকদের জন্য দারুণ সুখবর, বাড়িতে গিয়ে টাকা দিয়ে আসবে ব্যাংক

এমনিতেই করোনা আতঙ্কে ভুগছে দেশ থেকে রাজ্যবাসী। বারবার চিকিৎসকরা বলছেন সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে গেলে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *