Breaking News
Home / HEALTH / সকালে গরম চা তে চুমুক মানেই গলায় ক্যান্সার, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো নতুন গবেষণা!!

সকালে গরম চা তে চুমুক মানেই গলায় ক্যান্সার, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো নতুন গবেষণা!!

সকাল,বিকেল আয়েস করে গরম গরম চায়ের কাপে চুমুক দেন না এমন বাঙ্গালী খুব কমই চোখে পড়ে।হালকা গরম চা কম পরিমানে খান তাতে ক্ষতি নেই।কিন্তু সাবধান,অতিরিক্ত গরম চা পান থেকে বিরত থাকুন।নাহলে হতে পারে ভয়াবহ কন্ঠনালীর ক্যান্সার।আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির পক্ষ থেকে করা গবেষণা অন্তত সেকথাই বলছে।

এই গবেষনায় বলা হয়েছে, গরম চায়ে কন্ঠ নালীতে ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায় ৯০ শতাংশ।৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি গরম চা কোনও ব্যক্তি যদি দিনপ ৭০০ এমএল পান করেন তাহলে তার গলার ক্যান্সারের কবলে পড়ার ঝুঁকি বেশি।উত্তর-পূর্ব ইরানের প্রায় ৫০ হাজার মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

বিয়ের অনুষ্ঠান না করে ৩০০ জন গরীব মানুষকে একবেলা পেট পুরে খাওয়ালেন এ দম্পতি

বিয়ের অনুষ্ঠানে লোকজন ডেকে না খাইয়ে ৩০০ জন গরীব মানুষকে একবেলা পেট পুরে খাওয়ালেন এক নব দম্পতি। বাঙালির বিয়ে মানে যেখানে তিন দিনের বিশাল অনুষ্ঠান, জাঁকজমক। আর সেখানে খাদ্যরসিক বাঙালির জন্য থাকবে নানা খাবারের আয়োজন। পাত্র-পাত্রী পক্ষের আর্থিক অবস্থা যেমন হোক আয়োজনটা চাই ষোলোআনা।

তবে এমন লোক দেখানো বিয়ে করার কোন রকম ইচ্ছাই ছিল না দেবীপ্রসাদ ও তিথি দম্পতির। তারা চেয়েছিলেন খুব সাধারণ ভাবে বিয়ে করতে। সেটাই কাজে করে দেখিয়েছেন প্রফেসর দম্পতি দেবীপ্রসাদ ভট্টাচার্য ও তিথি দে। ‘অতিসাধারণ’ বিয়েতে তাঁরা খাওয়ালেন শুধু ৩০০ জন গরীব দুঃখী মানুষের।

এই দম্পতি দক্ষিণ ২৪ পরগণার নামখানার বাসিন্দা। পেশায় দুজনেই কম্পিউটার সায়েন্সের অধ্যাপক। দেবীপ্রসাদের কর্মস্থল ব্যরাকপুরের রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজ। তিথি নেতাজী নগর কলেজের দিবাবিভাগের অধ্যাপিকা। বছর পাঁচেক আগেই শুরু হয়েছিল প্রেম। তারপরই ধীরে ধীরে এগিয়ে গিয়েছে সম্পর্ক। বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চলতি বছরেই।

এভাবে বিয়ের সিদ্ধান্ত কেন এমন প্রশ্নের উত্তরে দেবীপ্রসাদ বলেন, ‘এমন অনেক মানুষ আছেন যারা দিনের পর দিন খেতে পায় না। আর একটা বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবার খেয়ে লোকে শেষ করতে পারে না। বেঁচে যাওয়া খাবার নষ্টও কম হয় না। এসব বাড়াবাড়ি ছাড়া কিছু নয়। এই আয়োজন করতে যে পরিমাণ অর্থ খরচ হয় তা দিয়ে যদি না খেতে পাওয়া মানুষের পেট ভরে তবে সেটাই আসল সার্থকতা। সেটাই।’

এই দম্পতির বিয়ের ছবি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই প্রশংসা করছেন তাঁদের এমন ব্যতিক্রম সিদ্ধান্তের। কিন্তু কতজন তাঁদের মতো সাহসী হয়ে উঠতে পারবেন তা বলা মুশকিল। কিন্তু তবু কিছু দৃষ্টান্ত থাকে যা ভাবতে শেখায়। তেমনই দৃষ্টান্ত নবদম্পতি দেবীপ্রসাদ-তিথি।

Check Also

সন্তান বুদ্ধিদীপ্ত হয় কার জিনে মায়ের না বাবার? জেনে নিন বৈজ্ঞানিক সত্য

বিশ্বের প্রতিটি বুদ্ধিদীপ্ত মানুষের বুদ্ধিমত্তার নেপথ্যে কার অবদান থাকে? মা না বাবার? এ নিয়ে ঝগড়া-তর্ক-বিতর্ক ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *